সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। অভিযোগ আমলযোগ্য হলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার দুপুরে আজিজ আহমেদের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দিন রিগ্যান। তিনি জানান, আজিজের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে এ আবেদন করা হয়েছে। দুদক ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করবেন বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত সোমবার দুর্নীতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে আজিজ আহমেদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আমেরিকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, আজিজ আহমেদ তাঁর ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি এড়াতে সহযোগিতা করেন। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলনই এই নিষেধাজ্ঞা।
অবশ্য এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেন, তাঁর পরিবার ও সরকারকে বিব্রত করতেই এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক।’
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ বলেন, ‘আমি চার বছর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ডিজি ছিলাম, তিন বছর সেনাপ্রধান ছিলাম। কেউ যদি একটা প্রমাণ দিতে পারে যে, ওই চার বছর এবং শেষের তিন বছর আমি আমার কোনো ভাইকে বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে কোনো কাজ দিয়েছি, আই অ্যাম রেডি টু অ্যাকসেপ্ট এনি কনসিকুয়েন্স।’


মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: যা বললেন সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ
