নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর যে হামলা হয়েছে তার নিন্দায় ভরে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর পাতা। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ওপরও দায় চাপিয়েছেন কেউ কেউ।
স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পেনসিলভানিয়ায় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় হামলার শিকার হন ট্রাম্প। কানে গুলি লেগে রক্তাক্ত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে এতে প্রাণ গেছে বন্দুকধারীসহ দুজনের।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে অনেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হামলায় দায় দিচ্ছেন ক্ষমতাসীন বাইডেন সরকারের ওপর। এর পক্ষে কোনো প্রমাণ না দিতে পারলেও তারা বলছেন, ট্রাম্প আবার সরকার গঠন করেন; এমনটা চাইছে না বর্তমান সরকারের একটি অংশ।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, টেলিগ্রাম ও সোশ্যাল ট্রুথের মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহারকারীরা হামলার নিন্দা জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন।
জর্জিয়ার রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক কলিন্স ট্রাম্পের সমাবেশে হামলার জন্য বাইডেনকে অভিযুক্ত করে পোস্ট দিয়েছেন এক্স–এ। তিনি লিখেছেন, ‘গুলির আদেশ দিয়েছেন বাইডেন।’ এ নিয়ে অবশ্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি। তাঁর বিস্তারিত বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া কেউ আবার লিখেছেন, হামলাকারী বামপন্থী অ্যান্টিফা গ্রুপের সদস্য বা হিজড়াদের পক্ষে কাজ করছিলেন। তবে কোনো পোস্টই এসব দাবির পক্ষে প্রমাণ দেওয়া হয়নি।
অবশ্য সার্বিক পরিস্থিতিতে এখনই কাউকে এ নিয়ে বিশ্লেষকরা সিদ্ধান্তে না পৌঁছাতে অনুরোধ করেছেন। আমেরিকার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ডিজিটাল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা রবার্টা ব্রাগা এক্স–এ লিখেছেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, কে গুলি চালিয়েছে বা এই হামলার পেছনে কারা তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।’



