শিক্ষার্থী ও বাস শ্রমিকদের সংঘর্ষের পর ৪ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পরিস্থিতি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, রাজীব পরিবহন বন্ধ ও আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে গেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যায়।
এসময় ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ড. নাজমুস সাদাত জানান, ছাত্রদের ওপর দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা হয়েছে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন ছাত্র আহত হয়েছে। আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে দৃশ্যমান কিছু না হলে ছাত্ররা আবার আন্দোলনে নামবে।
বুধবার গোপালগঞ্জ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র রাজীব পরিবহনে খুলনায় আসছিল। এসময় বাসের সিট নিয়ে হেলপারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করে বাসের হেলপাররা।
এ ঘটনা শুনে পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ছাত্র ও শিক্ষকরা এলে বাস শ্রমিকরা ছাত্রদের মারধর করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এসে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়।
এসময় বাস শ্রমিক ও ছাত্রদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি বাস ও কাউন্টার।
খুলনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদ খান বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদের সাথে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তাৎক্ষণিকভাবে বাস চলাচল বন্ধ হলেও এখন বাস চলাচল শুরু হয়েছে।’
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে কাজ করেছে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।



