মৌসুম শেষ হওয়ায় সরবরাহ কম, বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। তবে এবার দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতির খবরে দিনাজপুরের হিলিতে এক রাতের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩০টাকা। আমদানি শুরু হলে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন আমদানিকারক ও বিক্রেতারা।
দেশীয় পেঁয়াজের উৎপাদন ও সরবরাহ ভালো থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় লাগামহীন হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। দাম নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ায় সিন্ধান্ত নেয় সরকার। সেই মোতাবেক আজ থেকে পেঁয়াজের আইপির জন্য আবেদন গ্রহণ করে সরকার।
প্রথম দিন ৫০জন আমদানিকারককে দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানা যায়। পাশাপাশি প্রতিদিন ৫০ জন আমদানিকারক ৩০ টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পাবেন। সরকারি এমন সিন্ধান্তের ফলে ইতোমধ্যেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামের ওপর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আমদানি শুরু হলে ৫০ থেকে ৬০টাকা কেজিতে চলে আসবে পেঁয়াজের দাম।
তবে আমদানির ক্ষেত্রে কোটা না রেখে প্রকৃত আমদানিকারকদের আমদানির অনুমতি দেওয়া হলে বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতারা কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন বলে দাবি আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের।
এদিকে আমদানির খবরে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল যে দেশীয় পুরোনো পেঁয়াজ ১৩০টাকা বিক্রি হয়েছিল আজ তা কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন পেঁয়াজ গতকাল ১১০টাকা বিক্রি হলেও আজ কমে ৮০টাকায় নেমেছে। এতে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষজন। আমদানি হলে আরও দাম কমবে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত ৩০ আগস্ট ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। দেশীয় কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় এর পর থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।



