প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০১৮, ১১:৪৮ পিএমআপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:০৮ এএম
জহির রায়হান সফল সাংবাদিক, লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ছিলেন ভাষাসৈনিক। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রামাণ্যচিত্র স্টপ জেনোসাইড নির্মাণ করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন হানাদার বাহিনীর বর্বরতার কথা। খ্যাতিমান এই ব্যক্তিকে হারানোর ৪৬ বছর আজ।
জহির রায়হানের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট। শিল্পের যে শাখায় হাত রেখেছেন, সেখানেই সফল তিনি। বাংলা সাহিত্যের ছাত্র জহির রায়হান পেশাগত জীবন শুরু করেন সাংবাদিকতা দিয়ে।
১৯৫৭ সালে, জাগো হুয়া সাবেরা, ছবিতে সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। ১৯৬১ সালে চিত্র নির্মাতা হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু। জীবন থেকে নেয়া- চলচ্চিত্রের মাধ্যমে স্বাধীনতাপূর্ব বাঙালীর গণজাগরণে ভূমিকা রাখেন।
১৯৬৮ সালে পরিচালনা করেন পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র, সঙ্গম। সাহিত্যেও তিনি সফল। বরফ গলা নদী, শেষ বিকালের মেয়ে, আর কত দিন, তৃষ্ণা, হাজার বছর ধরে তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
মুক্তিযুদ্ধ শেষে, ১৯৭২ সালে ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি কালজয়ী এই ব্যক্তিত্ব।
রাজধানীর বিজয়নগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোট এই সমবাবেশের আয়োজন করে। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১দলীয় জোটের...
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তা করা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের পর এ বিষয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল...
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং...
সহজলভ্য হওয়ায় প্রকাশ্যেই চলছে মাদক সেবন ও বিক্রি। এতে যেমন ধ্বংস হচ্ছে তরুণ সমাজ, তেমনি এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতাও। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, রেলপথ ব্যবহার করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের অবাধ প্রবেশ...
জহির রায়হানের অন্তর্ধানের ৪৬ বছর আজ
জহির রায়হানের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট। শিল্পের যে শাখায় হাত রেখেছেন, সেখানেই সফল তিনি। বাংলা সাহিত্যের ছাত্র জহির রায়হান পেশাগত জীবন শুরু করেন সাংবাদিকতা দিয়ে।
১৯৫৭ সালে, জাগো হুয়া সাবেরা, ছবিতে সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। ১৯৬১ সালে চিত্র নির্মাতা হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু। জীবন থেকে নেয়া- চলচ্চিত্রের মাধ্যমে স্বাধীনতাপূর্ব বাঙালীর গণজাগরণে ভূমিকা রাখেন।
১৯৬৮ সালে পরিচালনা করেন পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র, সঙ্গম। সাহিত্যেও তিনি সফল। বরফ গলা নদী, শেষ বিকালের মেয়ে, আর কত দিন, তৃষ্ণা, হাজার বছর ধরে তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
মুক্তিযুদ্ধ শেষে, ১৯৭২ সালে ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি কালজয়ী এই ব্যক্তিত্ব।
/আর-এম/