ইউরোপের সর্ববৃহৎ পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাশিয়ার দখলে
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২২, ০২:২৫ পিএমআপডেট : ০৪ মার্চ ২০২২, ০২:৩২ পিএম
জেপোরজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ইউরোপের সবচেয়ে বড় ইউক্রেনের জেপোরজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দখল নিয়েছে রুশ সেনাবাহিনী। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দখল নিতে বৃহস্পতিবার হামলা চালায় রাশিয়া। ওই অঞ্চল থেকে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ তথ্য দিয়েছেন।
এর আগে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে আগুন ধরে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে। পরে শুক্রবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
'এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র তদারকির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন,' স্থানীয় কর্তৃপক্ষর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিটগুলোর অবস্থা সবসময় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এর আগে রাশিয়ার সৈন্যদের বোমা হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়। পরে সে আগুন নেভানো হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিকিরণ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।
জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রটি ১৯৮৪ সালে ১৯৯৫ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। এটি তৈরি করতে ১১ বছর সময় লেগেছিল।
এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছয়টি রিয়েক্টর থেকে ৫,৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।
স্বাভাবিক সময়ে জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ইউক্রেনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাঁচভাগের এক ভাগ আসে। রাজধানী কিয়েভ থেকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৫৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে টোকিও এবং হংকং শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে।
জাপানের নিককেই শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৫ শতাংশ এবং হংকং শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৬ শতাংশ। এশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানী তেলের মূল্যও ব্যারেল প্রতি ১১২ ডলারের বেশি হয়েছে।
রাশিয়ার সেনাদের বোমাবর্ষণের কারণে ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইউক্রেনের জরুরী বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তারা সেখানে ঢুকতে পারে এবং আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আগুন নেভানোর খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলোতে অনেক বিনিয়োগকারীর মনে আবারো আস্থা ফিরে আসে। /এইচ কে/
বাংলাদেশের আদলে ভারতে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করছে কংগ্রেস। শুক্রবার লক্ষ্ণৌয়ের সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রয়টার্স জানিয়েছে এ খবর।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কনস্যুলার সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, এ ইস্যুতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে...
যারা একসময় হরতাল অবরোধ দিয়ে দেশকে অচল করে দেওয়া হবে বলেছিল, আজকের বিরোধী দল তাদেরই সঙ্গী বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার রাতে...
দেশে টানা কয়েক বছর ধরে বাড়ছে দারিদ্র্যের হার। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, চার বছরে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ৮০ লাখ মানুষ। একই সঙ্গে বেড়েছে ধনী-গরিব আয় বৈষম্য। দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে থাকা প্রায় ৬ কোটি ২০...
জুলাই সনদ সই হওয়ার এক বছর আজ। বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। সরকার বারবার বলেছে, নোট অব ডিসেন্টসহ সনদ বাস্তবায়ন করবে তারা। তবে একথা মানতে নারাজ বিরোধীরা। দুপক্ষের মধ্যে সংবিধান সংশোধন আর সংস্কার...
ইউরোপের সর্ববৃহৎ পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাশিয়ার দখলে
এর আগে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে আগুন ধরে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে। পরে শুক্রবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
'এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র তদারকির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন,' স্থানীয় কর্তৃপক্ষর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিটগুলোর অবস্থা সবসময় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এর আগে রাশিয়ার সৈন্যদের বোমা হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়। পরে সে আগুন নেভানো হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিকিরণ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।
জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রটি ১৯৮৪ সালে ১৯৯৫ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। এটি তৈরি করতে ১১ বছর সময় লেগেছিল।
এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছয়টি রিয়েক্টর থেকে ৫,৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।
স্বাভাবিক সময়ে জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ইউক্রেনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাঁচভাগের এক ভাগ আসে। রাজধানী কিয়েভ থেকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৫৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগার খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে টোকিও এবং হংকং শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে।
জাপানের নিককেই শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৫ শতাংশ এবং হংকং শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে গেছে ২.৬ শতাংশ। এশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানী তেলের মূল্যও ব্যারেল প্রতি ১১২ ডলারের বেশি হয়েছে।
রাশিয়ার সেনাদের বোমাবর্ষণের কারণে ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইউক্রেনের জরুরী বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তারা সেখানে ঢুকতে পারে এবং আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আগুন নেভানোর খবরে এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলোতে অনেক বিনিয়োগকারীর মনে আবারো আস্থা ফিরে আসে।
/এইচ কে/