প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:১৪ এএমআপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৪৪ এএম
অগণিত জনতা উচ্ছ্বাস আর গগণবিদারী জয়বাংলা স্লোগানে বরণ করে নেয় প্রাণপ্রিয় নেতাকে । ফাইল ছবি
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় পূর্ণতা পায় বলে মনে করেন ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান গবেষকেরা। তাদের মতে, বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার ফলে অবসান হয়েছিল তাকে ঘিরে পুরো জাতির উদ্বেগেরও। স্বস্তি মিলেছিল আন্তর্জাতিক মহলেও। বাঙালি জাতিকে স্বাধীন করার জন্য আত্মত্যাগের যে মহান অধ্যায় রচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিন আজ। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে মৃত্যুর প্রহর গোনা শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখেন জাতির পিতা। ফেরার পথে লন্ডন ও দিল্লিতে বীরোচিত সংবর্ধনা পান স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক। 'অন্ধকার থেকে আলোর পথে, বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার পথে ও নিরাশা থেকে আশার উদ্দেশে এ যাত্রা।'
স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ক্ষণকে এভাবেই আখ্যা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। একাত্তরের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের ২৪ দিন পর ৮ জানুয়ারি মিয়ানওয়ালী কারাগার থেকে মুক্ত হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আন্তর্জাতিক চাপে মুক্তিসংগ্রামের মহানায়ককে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক সরকার।
পাকিস্তান থেকে বিশেষ ফ্লাইটে হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছেই লন্ডনের ক্লারিজেস হোটেলের বলরুমে বঙ্গবন্ধু যান সংবাদ সম্মেলনে। কারাগারে ৪২ পাউন্ড ওজন হারানো শেখ মুজিবের সব ক্লান্তি মুছে দিয়েছিল মুক্তির উচ্ছ্বাস।
পরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিশেষ বিমানে ৯ জানুয়ারি যাত্রা করেন স্বাধীন বাংলাদেশের পথে। ১০ জানুয়ারি সকালে দিল্লিতে যাত্রা বিরতি । ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ দেশটির জনগণের কাছে পান উষ্ণ সংবর্ধনা। মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার জন্য জানান কৃতজ্ঞতা।
দিল্লি থেকে রওনা দেন দেশের পথে। ১০ই জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে তেজগাঁও বিমান বন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করে জাতির পিতাকে বহনকারী বিমান। অগণিত জনতা উচ্ছ্বাস আর গগণবিদারী জয়বাংলা স্লোগানে বরণ করে নেয় প্রাণপ্রিয় নেতাকে।
লাখো মানুষ বিমানবন্দর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত স্বাগত জানায় বঙ্গবন্ধুকে। বিকাল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের সামনে ভাষণ দেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা।
বজ্রকণ্ঠে আরও একবার জাগিয়ে তোলেন গোটা জাতিকে।
দিন শেষে যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফেরেন, তখন এক অভূতপূর্ব আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একাত্তরের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর পরই ধানমন্ডির এই বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
মন্ত্রণালয়ের কোনো সদস্য ভালো পারফর্ম করতে না পারলে তাকে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করবেন বলে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন...
গাড়ি চালানোর জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজি) বা প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজন জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
হবিগঞ্জে পৃথক অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের মূল হোতাসহ মোট ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জে র্যাব-৯-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব কর্মকর্তারা।
বেলুচিস্তানের খোজদার জেলার জিদিতে চালানো এক অভিযানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। বেলুচিস্তান পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০...
বঙ্গবন্ধু ফিরে আসায় পূর্ণতা পায় বিজয়
বাঙালি জাতিকে স্বাধীন করার জন্য আত্মত্যাগের যে মহান অধ্যায় রচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিন আজ। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে মৃত্যুর প্রহর গোনা শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখেন জাতির পিতা। ফেরার পথে লন্ডন ও দিল্লিতে বীরোচিত সংবর্ধনা পান স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক।
'অন্ধকার থেকে আলোর পথে, বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার পথে ও নিরাশা থেকে আশার উদ্দেশে এ যাত্রা।'
স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ক্ষণকে এভাবেই আখ্যা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। একাত্তরের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের ২৪ দিন পর ৮ জানুয়ারি মিয়ানওয়ালী কারাগার থেকে মুক্ত হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আন্তর্জাতিক চাপে মুক্তিসংগ্রামের মহানায়ককে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক সরকার।
পাকিস্তান থেকে বিশেষ ফ্লাইটে হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছেই লন্ডনের ক্লারিজেস হোটেলের বলরুমে বঙ্গবন্ধু যান সংবাদ সম্মেলনে। কারাগারে ৪২ পাউন্ড ওজন হারানো শেখ মুজিবের সব ক্লান্তি মুছে দিয়েছিল মুক্তির উচ্ছ্বাস।
পরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিশেষ বিমানে ৯ জানুয়ারি যাত্রা করেন স্বাধীন বাংলাদেশের পথে। ১০ জানুয়ারি সকালে দিল্লিতে যাত্রা বিরতি । ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ দেশটির জনগণের কাছে পান উষ্ণ সংবর্ধনা। মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার জন্য জানান কৃতজ্ঞতা।
দিল্লি থেকে রওনা দেন দেশের পথে। ১০ই জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে তেজগাঁও বিমান বন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করে জাতির পিতাকে বহনকারী বিমান। অগণিত জনতা উচ্ছ্বাস আর গগণবিদারী জয়বাংলা স্লোগানে বরণ করে নেয় প্রাণপ্রিয় নেতাকে।
লাখো মানুষ বিমানবন্দর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত স্বাগত জানায় বঙ্গবন্ধুকে। বিকাল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের সামনে ভাষণ দেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা।
বজ্রকণ্ঠে আরও একবার জাগিয়ে তোলেন গোটা জাতিকে।
দিন শেষে যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফেরেন, তখন এক অভূতপূর্ব আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একাত্তরের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর পরই ধানমন্ডির এই বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে।
/এম.এস/