একদিকে তীব্র লোডশেডিং অন্যদিকে বাড়তি বিলের বোঝা নিয়ে ক্ষুব্ধ লক্ষ্মীপুরের মানুষ। অতিরিক্ত বিলের সংশোধন এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করছে তারা। বিদ্যুতের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। তবে শিগগিরই সংকট সমাধানের আশ্বাস তাদের।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ভোগান্তির পরও মাস শেষে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের চাপ সামলাতে হচ্ছে লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন উপজেলার গ্রাহকদের। নিয়মিত বিদ্যুৎ না পেলেও আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বিল আসছে বলে অভিযোগ।
দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের ভোগান্তিতে ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা। এছাড়া, তীব্র গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।
লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবাহ ও বিল সংশোধনের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেও মিলছে না সমাধান।
বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। তবে, দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশা করছেন কর্মকর্তারা।
লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন বলেন, ‘সরবরাহ কম তাই লোডশেডিং হচ্ছে। তবে আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শফিউল আলম বলেন, ‘বিল নিয়ে কিছু ভুলভ্রান্তি হচ্ছে। তবে আমরা গ্রহকের অভিযোগ পেলে দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা করছি।’
জেলায় পল্লীবিদ্যুৎ ও পিডিপি গ্রাহক প্রায় সাড়ে ৭ লাখ। আর বিদ্যুতের চাহিদা ১৫০ মেগাওয়াট।



