নানা কারণে আলোচিত নীলফামারী-৩ সংসদীয় আসন। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তবে জয়ের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বিএনপি প্রার্থী দাবি করছেন, এলাকাবাসী এবার পরিবর্তন চান।
দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীতে জমে উঠেছে ভোটের মাঠের লড়াই। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীর মধ্যে। নদীভাঙন, বন্যা, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ-সমস্যার শেষ নেই এই আসনের বাসিন্দাদের।
বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলী নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তাঁর দাবি, এবার ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে।
বিএনপি প্রার্থীর এই প্রার্থী বলেন, ‘মানুষের সাড়া পাচ্ছি। ভোট দেওয়ার জন্য তারা আশাবাদী। গত ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এ জন্য সবাই ভোট দিতে আগ্রহী। জয়ের বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।’
অতীত সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবারও শতকরা ৮৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হওয়ার আশা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফির।
জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি আশাবাদী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে শতকরা ৮৫ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটে জয় লাভ করব ইনশাল্লাহ।’
সাধারণ ভোটাররা বলছেন এলাকার কার্যকর উন্নয়নে যিনি ভূমিকা রাখবেন তাকেই বেছে নেবেন তারা।
স্থানীয় এক ভোটার বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমরা সৎ, যোগ্য এবং সাধারাণ মানুষের পাশে যে মানুষ থাকে আমরা তাকেই নির্বাচিত করতে চাই।’
নীলফামারী-৩ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৬ জন। অতীত রেওয়াজ, পরিবর্তনের তাগিদ আর উন্নয়নের প্রত্যাশার জটিল সমীকরণই নির্ধারণ করবে এ আসনের নতুন প্রতিনিধি। এমনটাই বলছেন বিশ্লেষকরা।



