এবারের মৌসুমে ৩৮ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত ইলিশ আহরণ কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, ‘নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, আবহাওয়া পরিবর্তনসহ নানা কারণে এটা হয়েছে।’
শুক্রবার সকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে তিন দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল ফিসারিজের উদ্বোধনকালে এসব বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।
কনফারেন্সে দেশ বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক শিক্ষক, গবেষক ও মৎস্য বিজ্ঞানী অংশ নেন।
ফরিদা আখতার বলেন, ‘মেঘনায় দূষণের কারণে নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশ আমাদের পরিচয়, ইলিশকে প্রাধান্য দিতে হবে। সাধারণ মানুষের পাতে যেন ইলিশ যেতে পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।’
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ‘মৎস্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ আলাদা নয়। কৃষি ও প্রাণিসম্পদদের পাশাপাশি মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক যেমন, তেমনি পানিমাতৃক দেশও। যারা প্রকৃত মৎস্যজীবী, তারা কখনো ক্ষতিকারক জাল ব্যবহার করেন না। অমৎস্যজীবীরা তাৎক্ষণিকলাভের আশায় ক্ষতিকারক জাল ব্যবহার করেন।’
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে চিফ পেট্রন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম।
অতিথিরা মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই বলে জানান। কনফারেন্সে কীনোট স্পিকার ছিলেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মেরিন ফিসারিজ অ্যান্ড এগ্রিকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আবদুল ওয়াহাব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি অনুরাধা ভদ্র, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।



