সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। এতে ২০তম গ্রেডভুক্তদের বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন বাড়ানোর প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।
উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দুই বছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনা দেয় বর্তমান সরকার। তবে এবার বেতনও বাড়ছে সরকারি চাকুরিজীবীদের।
পে কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ১৪৭ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ নম্বর গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ১০০ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া নতুন বেতন কাঠামোয় চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমান বেতন কাঠামোতেও একই হারে ইনক্রিমেন্ট দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘খুব বাস্তবভিত্তিক পদ্ধতিতে যতটুকু ফিজিবল, সম্ভাব্য…আর ম্যাক্সিমান যতটুকু করা যায়…আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতার ব্যাপারে, আরও অনেক ব্যাপার আছে…বেসরকারি খাতের ব্যাপারটা দেখতে হয়। দেখে উনি (প্রধান উপদেষ্টা) বললেন যে মোটামুটি সবাই সন্তুষ্ট হবে।’
সরকারি চাকুরিজীবীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের পেনশনের হারও বাড়ছে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পান - এমন পেনশনভোগীদের পেনশন বাড়ছে ১০০ শতাংশের মতো। মাসে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকার পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন বাড়ছে ৭৫ শতাংশ।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। তবে যাচাই ও পর্যালোচনা শেষে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে পুরো মাত্রায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে।



