সম্ভাবনা থাকলেও দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকাশ হচ্ছে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য দুর্নীতি, অদক্ষতা, নীতি ও পরিকল্পনার অভাবকে দায়ি করেছেন তারা। এসব বাধা দূর করতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার রাজধানীতে সেমিনারে এসব কথা বলেন তারা।
দেশের চাহিদার বেশিরভাগ বিদ্যুৎ আসে জীবাশ্ম জ্বলানি থেকে। বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে আসে আড়াই থেকে ৫ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাধাগুলো চিহ্নিত করতে আয়োজন করা হয় এই সেমিনারের।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ খাতে উৎপাদন বাড়াতে শিল্প কারখানা বা বাসা বাড়ির ছাদের ওপর নির্ভর না করে সরকারি অধিগ্রহণ করা জমি লিজ দেয়ার পরামর্শ তাদের।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, সোলার থেকে বিদুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ নির্ভর নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোলার স্থাপনে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি কমিয়ে আনা হয়েছে কর হার। আর নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে নির্ধারণ করা হয়েছে জমিও।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী আরও জানান, ৬৭ হাজার কোটি টাকা বকেয়া মাথায় নিয়ে বিদ্যুৎ খাত চালাচ্ছে সরকার।



