২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা বেশি ঋণ নিয়েছে অন্তর্বর্তী কালীন ও বর্তমান সরকার। অর্থবছর শেষে ব্যাংক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
মূলত রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সঞ্চয়পত্র থেকে অর্থ সংগ্রহ কমে যাওয়ায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেশি ঋণ করতে হয়েছে সরকারকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া বেড়েছে প্রায় ৭৭ শতাংশ।
এসময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমেছে ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশে, আর সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। এছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম ১৩ দিনে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি ব্যয় বাড়ায় ব্যাংক ঋণের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, সরকার চাচ্ছে প্রাইভেট সেক্টর অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াবে। এজন্য যত ধরনের নীতি সহায়তা দরকার সরকার দিচ্ছে। এমনকি ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করছে। এটা সরকারের সদিচ্ছারই ফল। অতএব সরকার কখনোই ব্যাংক সেক্টর থেকে এই পরিমাণ ঋণ করবে না, যেটা প্রাইভেট সেক্টরে ঋণ প্রবাহতে বাধা সৃষ্টি করে।



