দেশের মুদ্রাবাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী ডলারের দাম। এক মাসের ব্যবধানে টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে দুই টাকা পর্যন্ত। এতে বাড়তি চাপে পড়ছেন আমদানিকারকরা। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, খোলা বাজারে ডলারের দামে কোন হস্তক্ষেপ করবে না তারা। তবে কোনো ব্যাংক কারসাজি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডলারের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মাস খানেক ধরে বাড়ছে ডলারের দাম। অক্টোবরের শুরুতে যেখানে ব্যাংকে প্রতি ডলারের বিক্রয় মূল্য ছিল ১২৩ টাকা, মাসের শেষে এখন তা ১২৪ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশে ব্যাংকের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকালে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে গড়ে ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সায়। অন্যদিকে খোলা বাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৮ টাকা ৩০ পয়সায়। মাসের ব্যবধানে আমদানিকারকদের বাড়তি খরচ বেড়েছে প্রায় এক টাকা পর্যন্ত। আর খোলা বাজারে নগদ ডলারের দাম বেড়েছে দুই টাকার বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানিসহ বেশ কিছু আমদানি পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে ডলারের বাজারে।’
অর্থনীতিবিদ এম কে মুজেরী বলেন, ‘ডলারের দাম বাড়লে আমদানি খরচ বাড়ার পাশাপাশি, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সামগ্রিক অর্থনীতিতে।’
ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানান বিশ্লেষকরা।


