চলতি বছর মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন রককিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বাংলা ব্যান্ডসংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রের এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পেলেন তিনি। মৃত্যুর ৭ বছর পর একুশে পদক পাওয়ার খবরে আবেগাপ্লুত গায়কের স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। তাঁর মতে, এই পুরস্কার শুধু আইয়ুব বাচ্চুর জন্য সম্মানের নয়, বরং তা বাংলা ব্যান্ডসংগীত তথা সংগীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিকমাধ্যমের এক পোস্টে চন্দনা লেখেন, ‘২০২৬ সালের একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত হলেন রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু। এটা শুধু আইয়ুব বাচ্চুর শিল্পী হিসেবে সম্মাননা নয়, এটা বাংলা ব্যান্ডসংগীতের ও সংগীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।’
যোগ করে লেখেন, ‘যিনি (আইয়ুব বাচ্চু) গিটার হাতে তাঁর ভক্তদের মাঝে বেঁচে নেই। যিনি সারাটা জীবনই দিয়ে গেছেন সংগীতের জন্য।’
সবশেষে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চন্দনা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি বর্গকিলোমিটারজুড়ে তিনি আছেন এবং বেঁচে থাকবেন। সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝে তিনি আছেন এবং থাকবেন। তাঁকে এই সম্মাননা প্রদানের জন্য জুরি বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।’
প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। যেখানে রয়েছেন অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা ও কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি ব্যান্ড।


সুরের সমরে একুশে জয়: স্টেডিয়ামে হাজারও দর্শকের সামনে ওয়ারফেইজ শুনল ‘রাজকীয়’ স্বীকৃতি
