দেশের আলোচিত নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, যিনি ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এর মতো সিনেমা নির্মাণ করে সিনেপ্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তিনি এবার ফিরছেন নাটকে। দীর্ঘ ৮ বছর পর, এই ঈদে ‘চুপকথা’ নামের একটি বিশেষ নাটক নিয়ে আসছেন তিনি, সিএমভি’র ব্যানারে।
নাটক থেকে অনেকটা দূরে ছিলেন উজ্জ্বল। এর মধ্যে গড়েছেন নিজের ব্যান্ড ‘ওমকার’, করেছেন সিনেমা নির্মাণ, সংগীতচর্চা—সব মিলিয়ে নাটকের জন্য সময় বের হয়নি। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ঈদে প্রচারিত হয়েছিল তাঁর নির্মিত নাটক ‘দাস কেবিন’। আট বছর পর সেই বিরতি ভাঙছেন চুপকথা দিয়ে।
নাটকটির গল্প লিখেছেন গীতিকবি মহসীন মেহেদী। চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনায় ছিলেন উজ্জ্বল নিজেই। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব ও নাজনীন নিহা। সিনেমাটোগ্রাফিতে ছিলেন হৃদয় সরকার। শুটিং হয়েছে শ্রীমঙ্গল, জাফলং, গাজীপুর ও ঢাকায়—প্রায় সিনেমার মতোই বড় আয়োজন!
নাটকটি নিয়ে উজ্জ্বল বলেন, ‘এটা প্রেমের গল্প। তবে শুধু প্রেম নয়, এর ভেতর আছে সমাজ, প্রকৃতি ও চিন্তার নানান স্তর। বরাবরের মতো এবারও নির্মাণে সামাজিক দায়বদ্ধতা রেখেছি। আর এই নাটকটা বানাতে গিয়ে বুঝে উঠতে পারিনি, নাটক বানাচ্ছি নাকি সিনেমা!’
এই নাটকে গল্পের সূচনা হয় একটি কুমিরের খামারে! সেখান থেকেই শুরু হয় এক ভিন্নধর্মী প্রেমকাহিনি, যেখানে ধরা পড়ে উচ্চবিত্তের জীবনের নানা পরত, দ্বন্দ্ব ও নিঃসঙ্গতা।
চুপকথা নিয়ে উজ্জ্বল আরও বলেন, ‘এই প্রথম অন্য কারও গল্পে কাজ করলাম। গল্পটা আমাকে টেনেছে বলেই করেছি। তৌসিফ-নিহা, প্রযোজক পাপ্পু ভাই, মেহেদী ভাই—সবাই দারুণ সাপোর্ট দিয়েছেন। নাটকে ফিরে যেন একটা আরাম খুঁজে পেয়েছি। আসলে নাটকের দর্শককে আমি মিস করছিলাম। সিনেমা বানাতে আমার অনেক সময় লাগে, তাই এই ফাঁকে নাটকের দর্শকদের জন্যেও কিছু করা দরকার।’
এদিকে নাটকটির প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, এই ঈদে সিএমভি আনছে প্রায় এক ডজন বিশেষ নাটক। চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হবে সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে।


নতুন দলটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জন করলাম: সায়ান
