অবশেষে হাতি রক্ষায় প্রথমবারের মতো নেওয়া হলো প্রকল্প। আহত হাতির চিকিৎসার জন্য সিলেট, শেরপুর, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটিতে হবে হাসপাতাল। আর ব্যক্তি পর্যায়ে থাকা হাতি বাঁচাতে কক্সবাজার চুনতি বনে গড়ে তোলা হবে অভয়াশ্রম। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ৩৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকার এই প্রকল্প চলতি বছর থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২০২৮ এর জুনে।
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী হাতি। রাঙামাটির কাচালং ও কাপ্তাই বনাঞ্চলে হাতির আবাস।
স্থানীয়রা জানান, বনজুড়ে খাবার সংকট থাকায় হাতির দল প্রায়ই চলে আসে লোকালয়ে। এতে স্থানীয়দের হামলায় হাতি ও মানুষের সংঘাত বাড়ছে।
রাঙামাটি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার খাগড়াছড়ি ও শেরপুরে গত এক বছরে ২০টি হাতি মারা গেছে।
বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ছানাউল্যা পাটওয়ারী বলেন, হাতি সংরক্ষণে প্রথমবারের মতো প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। যেখানে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি, সিলেট, শেরপুরে হবে হাসপাতাল। হবে হাতির খাবার উপযোগী গাছের বনায়ন। ৩০টি লবণের সল্টলিক, ৪০টি জলাধার গড়ে তোলা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান বলেন, মোঘল থেকে ব্রিটিশ আমলে রাজা-বাদশাহরা ব্যবহার করতেন হাতি। কাজে এসেছে বনের গাছের গুড়ি টানতেও। এর পর আসে সার্কাস। এখন ব্যক্তিপর্যায়ের হাতি দিয়ে করা হচ্ছে চাঁদাবাজি। তাই পোষা হাতি বাঁচাতে একটি অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হবে কক্সবাজারে চুনতি বনে। যার আয়োতন হবে ১০ কিলোমিটার।



