দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়। কিছু এলাকা সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাঙামাটি, বাগেরহাট, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও বান্দারবান– এই আট জেলায় হাম ধরা পড়েনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে গত ১৫ মার্চ থেকে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি। হামে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ৭৭১ জন রোগী।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের ৬৯ শতাংশের বয়স দুই বছরের নিচে। আর ৩৪ শতাংশ শিশুর বয়স ৯ মাসেরও কম– যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাম ভাইরাসেরজনিত রোগ হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ তাদের। সময়মতো টিকা না নিলে জ্বর, কাশি থেকে শুরু করে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। বয়স্কদের মধ্যে যারা কখনোই হামের টিকা নেননি এবং জটিল রোগে ভুগছেন তারাও ঝুঁকিতে আছেন বলছেন তারা।
এদিকে রোববার থেকে সারা দেশে হামের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রোববার থেকে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা হামের টিকা পাবে।



