বাংলাদেশের উন্নয়নে ফ্রান্স মুগ্ধ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ বললেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ দেশের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল সহ সবার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
জি-২০ সম্মেলন শেষে বিশেষ বিমানে ভারতের দিল্লি থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে, ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন তখনকার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁ।
লালা গালিচা সংবর্ধনার পাশাপাশি ম্যাখোঁকে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। ঢাকার আশা, এ সফর ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দেশ ফ্রান্সের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করবে।
পরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন ম্যাখোঁ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ম্যাখোঁ বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি মুগ্ধ। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিতে উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই ফ্রান্স আমাদের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। আমরা যৌথভাবে শক্তিশালী বাণিজ্য অংশিদারিত্ব তৈরি করেছি। উন্নত প্রযুক্তিতে ফ্রান্স আমাদের সহযোগিতা করছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল সহ সবার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
এর পরে তাঁরাসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
সোমবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। ঢাকা ও প্যারিসের মধ্যে বঙ্গবন্ধুু স্যাটেলাইট-২ এবং উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে এ বৈঠকে।



