বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী পদত্যাগ করেছেন।‘উদ্ভূত পরিস্থিতি ও ব্যক্তিগত কারণ’দেখিয়ে শনিবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
মহাপরিচালকের পদত্যাগের বিষয়টি এক বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগের উপপরিচালক নার্গিস সানজিদা সুলতানা।
মো. হারুন–উর–রশীদ আসকারী বাংলা একাডেমির দায়িত্ব পেয়ে এক মাসও পূর্ণ করতে পারেননি। গত ২২ দিন আগে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে যোগদানের তারিখ হিসেবে নিলে তাঁর কার্যকাল ছিল মাত্র ১৬ দিন। ক্ষমতার পালাবদলে তাঁর এই পদত্যাগ বলে মনে করা হচ্ছে।
রশীদ আসকারী গত ১৮ জুলাই বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। একাডেমির দায়িত্ব নেন ২৪ জুলাই। তিনি কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি একজন অনুবাদকও।
মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী ১৯৯০ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষক হিসেবে তাঁর প্রবন্ধ ও বেশ কয়েকটি বই আছে।
গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। পরদিন ৬ আগস্ট ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। এরপর একে একে অনেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করতে থাকেন। এ ছাড়া বিভিন্ন পদে হয় রদবদল।
আজ প্রধান বিচারপতির পদ থেকে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান পদত্যাগ করেছেন। এরপর আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। তাঁরা হলেন– বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন।
এছাড়া এখন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল ও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগের খবর এল।



