দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ২০২৬ সালেই চালু হতে যাচ্ছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল (থার্ড টার্মিনাল)। শুক্রবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা ও প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাপানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা),পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, পররাষ্ট্র সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস মিনিস্টার নাকায়ামা রিইকো।
আজকের বৈঠকের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা জানান, দেশের স্বার্থ বজায় রেখে জাপানকে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশনাল দায়িত্ব দিতে চায় বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, গত ১৩ মার্চ এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এর আগে ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করার নির্দেশ দেন। এরপর গত ১১ মার্চ বিমান প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, 'শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থার্ড টার্মিনাল ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে চালু হবে।'



