খাবার আর ওষুধসহ নানা খাতে ব্যয় বৃদ্ধিতে বিপাকে বগুড়ার মুরগির খামার ও হ্যাচারি ব্যবসায়ীরা। জেলার ৫ হাজারেরও বেশি খামার ও হ্যাচারি মধ্যে, গত ৩ বছরে বন্ধ হয়ে গেছে সাড়ে ৪ হাজার প্রতিষ্ঠান। এতে বেকার হয়েছেন অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কর্পোরেট হাউজগুলোর নানা ধরনের কৌশলেই তাদের গুণতে হচ্ছে বড় অংকের লোকসান।
যে পোল্ট্রি শিল্প বগুড়ার অনেক উদ্যোক্তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে, আজ সেই শিল্পই ধংসের পথে। এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার অনেক খামার ও হ্যাচারি।
জেলা পোলট্রি ও হ্যাচারি মালিকদের সংগঠনের তথ্যে দেখা যায়, বগুড়ায় ৫ হাজার ২০০ মুরগির খামার, আর ১৪০টি হ্যাচারির মধ্যে গত ৩ বছরে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত সাড়ে ৪ হাজার। পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে শেডসহ নানা অবকাঠামো। এদিকে, পোল্ট্রি ফিড আর রোগ-বালাই নিয়ন্ত্রণে ব্যয় ২ থেকে ৪ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। আছে কর্পোরেট হাউজগুলোর নানামুখী চাপ। বড় অংকের লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারিও অর্থ কষ্টে আছেন। বেকার হয়েছেন অনেক শ্রমিক।
বগুড়া পোল্ট্রি ও হ্যাচারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া অনেককেই গুণতে হয়েছে কোটি টাকা পর্যন্ত লোকসান। ঘুরে দাঁড়াতে সরকারি সহযোগিতা দরকার।’
বগুড়ায় খামার ও হ্যাচারি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছেন পোল্ট্রি শিল্পের কমপক্ষে ২০ হাজার শ্রমিক।



