ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ঘটনায় অনিশ্চয়তায় মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী ৫০ লাখ অভিবাসী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কার কথা জানায় প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন রামরু।
সংস্থাটি বলছে, যুদ্ধের কারণে বাড়তে পারে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন। রামরুর কর্মকর্তারা জানান, জিসিসি অঞ্চলের শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক তথ্য পর্যবেক্ষণে সরকারের কোনো ব্যবস্থা নেই।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ রাশেদ আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘২০১১ সালেও লিবিয়া থেকে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশিকে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছিল। সে সময় ক্রাইসিস কাটানোর সরকারের পদক্ষেপ আরও আপডেট করা হয়েছে কিনা এবং কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে।’
ফ্লাইট টিকিটের পূর্বশর্তের কারণে বন্ধ থাকা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋণ আবার চালু করার দাবিও ওঠে।
রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, ‘তারা এমন সব প্ল্যাটফর্মে ঢুকে গেছেন যেখানে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দিকে নিয়ে যায়। তাই এখনকার সিকিউরিটি থ্রেট শুধু যুদ্ধের নয়, আরও অনেক সিকিউরিটি ইস্যু।’
নিরাপত্তার কারণে জিসিসি থেকে অন্য অঞ্চলে ব্যবসা স্থানান্তর করছেন উদ্যোক্তারা। ফলে শ্রমবাজারের দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।



