গান্ধী হত্যা, আরএসএস ও হিন্দু মহাসভা

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:০৪ পিএম

প্রবহমান ভারতের সমন্বয়ী চেতনার মূর্ত প্রতীক মহাত্মা গান্ধীকে হিন্দু সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তি নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে প্রধানত তাঁর হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি এবং সংখ্যালঘুর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তীব্র সাওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতে। ভারতের জাতীয় আন্দোলনে বিশ শতকের প্রবাহে গান্ধীজিই ছিলেন প্রধান ঋত্বিক। ঔপনিবেশিকতার শৃঙ্খল মোচনে প্রথম থেকেই তাঁর কাছে প্রথম উপপাদ্য বিষয় ছিল হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতি। জাতীয় আন্দোলনে তাঁর মতাদর্শের বিপরীতমুখী সশস্ত্র বিপ্লবী ধারার সঙ্গে হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতি ও সম্মিলিত ধারার সংযুক্ত স্রোতপ্রবাহে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করে আনার প্রশ্নে তাঁর কোনো মৌলিক বিরোধ ছিল না। পথ ও মতের প্রশ্নে কোনো কোনো সময়ে রবীন্দ্রনাথ বা সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে মহাত্মার বিরোধ ঘটলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে তাঁরা চিরদিন অভিন্ন অবস্থানে থেকেছেন।

প্রবহমান ভারতের সমন্বয়ী চেতনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রশ্নে মহাত্মা এবং তাঁর মতাদর্শের সঙ্গে একমাত্র সংঘাত ছিল রাজনৈতিক হিন্দু সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তি আরএসএস বা তাদের তৎকালীন রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা, যার বিবর্তিত রূপ হলো আজকের বিজেপি। গান্ধীজীর বিশ্বাস ছিল, হিন্দু-মুসলমানের মিলনে। আরএসএস-হিন্দু মহাসভা বা তাদের সঙ্গীসাথীরা বিশ্বাস করত হিন্দু-মুসলমানের সংঘাতে। গান্ধীজি চিরজীবন চেয়েছিলেন, হিন্দু-মুসলমান সর্বত্র একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকুক, রুটি-রুজির লড়াই করুক। পাশাপাশি থেকে যে যার নিজের ধর্ম মর্যাদার সাথে পালন করুক–এটাই ছিল মহাত্মার স্বপ্ন।

অপরপক্ষে আরএসএস-হিন্দু মহাসভার আকাঙ্ক্ষা ছিল রাজনৈতিক–হিন্দুদের জন্যে পৃথক রাষ্ট্র। গান্ধীজির মতো আপামর হিন্দুদের কথা আরএসএস বা তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা কিংবা সেই রাজনৈতিক সংগঠনের বিবর্তিত রূপ ভারতীয় জনসংঘ কিংবা আজকের বিবর্তিত সংস্করণ বিজেপি কোনোদিন চায়নি। হিন্দু সাম্প্রদায়িকরা চিরদিন চেয়েছে আর্যরক্তের গরিমায় গরীয়ান হয়ে, হিটলার, মুসোলিনীর জাতিতত্ত্বের নাগপুরীয় প্রয়োগ। তাই গান্ধীজীর জীবন, কর্ম ও দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরু ভাবনা হিসেবে আরএসএসের সরসংঘচালক এমএস গোলওয়ালকর অবতারণা করেছিলেন, ‘সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদে’র তথাকথিত তত্ত্বের। পরবর্তী সময়ে সেই উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী তত্ত্বকে আরও ভয়ঙ্কর অভিঘাতে পরিচালিত করেছিলেন দীনদয়াল উপাধ্যায়, তাঁর তথাকথিত তত্ত্ব ‘একাত্ম মানবতাবাদে’র ভেতর দিয়ে।

মহাত্মার আত্মবলিদানের পর তাঁকে হত্যা করার দায়ে আরএসএসকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল। সংগৃহীত ছবি

জাতীয় আন্দোলন যখন উচ্চ শিখরে উপনীত হয়েছে, তখন সেই আন্দোলনকে সাম্প্রদায়িক অভিঘাতে প্রবাহিত করে মহাত্মার স্বপ্নকে বানচাল করতে চেষ্টার ত্রুটি করেনি হিন্দুত্ববাদী শক্তি। এভাবেই ভারতের জাতীয় আন্দোলনে আগের শতকের বিশের দশকের মধ্যভাগ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির শ্রেণিস্বার্থ রক্ষার তাগিদে নানা অপকর্ম করে গেছে এই আরএসএস, তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা এবং ওদের সহযোগী হরেক রকমের সংগঠন, যাদের আমরা এককথায় ‘সংঘ পরিবার’ বলে অভিহিত করে থাকি।

মহাত্মার আত্মবলিদানের পর তাঁকে হত্যা করার দায়ে আরএসএসকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল। প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর চাপে। জাতীয় আন্দোলনের কালে কংগ্রেসের ভেতর দক্ষিণপন্থী, সাম্প্রদায়িক শিবিরের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে সর্দার প্যাটেলের আরএসএস এবং তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভার প্রতি একটা বিশেষ নরম মনোভাব ছিল। সেই মানসিকতার প্রকাশ তিনি গান্ধী হত্যার দায়ে আরএসএসকে নিষিদ্ধ করবার প্রশ্নে দেখালেও পণ্ডিত নেহরুর কঠোর মনোভাবের জন্যে প্যাটেল শেষ পর্যন্ত নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারেননি।

দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্যে আরএসএস প্রথম নিষিদ্ধ হয় ১৯৪৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। এ‑সংক্রান্ত ঘোষণাপত্রে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়: দেশের ভেতরে ঘৃণা ও হিংসা বৃদ্ধিতে যে-সব শক্তি সব থেকে বেশি সক্রিয়, যারা দেশের সদ্য প্রাপ্ত স্বাধীনতাকে ইতিমধ্যে বিপন্ন করে তুলেছে, দেশের সুনামকে কলঙ্কিত করেছে, তাদের নির্মূল করবার সিদ্ধান্তে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভারত সরকার। এ বিষয়ে ১৯৪৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নীতি মোতাবেক ভারত সরকার আরএসএসকে নিষিদ্ধ করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে (এটি আরএসএস-এর নিজস্ব প্রকাশন ‘জাস্টিস অন ট্রায়াল’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করা হলো। পৃষ্ঠা-৬৪)।

সংশ্লিষ্ট বিবৃতিটিতেই কেন আরএসএসকে নিষিদ্ধ করা হলো, সে সম্পর্কে ভারত সরকারের অভিমত হিসেবে বলা হয়েছে: আরএসএস-এর সদস্যরা বিপজ্জনক ও অবাঞ্ছিত কাজকর্ম জোরদারভাবে করে চলেছে। গভীর উদ্বেগের সঙ্গেই এটা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রাদি সংগ্রহের মতো প্রবল হিংসামূলক কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকছে আরএসএস-এর সদস্যরা। তারা প্রত্যক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদী পথ অবলম্বন করে চলছে। আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করছে জোরকদমে। সরকারের প্রতি কোনোরকম আনুগত্য প্রকাশ করছে না। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অসত্য সাক্ষ্য দেওয়ার জন্যে দেশের নাগরিকদের জোরদারভাবে প্ররোচিত করে চলেছে। এই ধরনের নানারকম প্ররোচনামূলক লিফলেট আরএসএস প্রকাশ করছে এবং প্রচার করছে (পৃ-৬৫-৬৬) ।

জাতীয় আন্দোলনের সময়কালে বা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্দার প্যাটেলের আরএসএসের প্রতি দুর্বলতার কথা এখন প্রায় সব মানুষই জানেন। সেই দুর্বলতার স্বীকৃতি নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে গুজরাটে সর্দার প্যাটেলের গগণচুম্বী মূর্তি প্রতিষ্ঠার ভেতর দিয়ে আরও প্রকাশ্যে এনেছেন। অথচ এই প্যাটেল পর্যন্ত গান্ধী হত্যার পর গোলওয়ালকার বাধ্য করেছিলেন এই কথা লিখতে যে; হিন্দুদের সাহায্য করা, হিন্দুদের সংগঠিত করা এক জিনিস, আর হিন্দুদের দুঃখ-দুর্দশার বদলা নেওয়ার নাম করে অসহায়, নিরীহ নারী-পুরুষ-শিশুদেরকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। 

মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত নাথুরাম গডসে ও নারায়ণ আপ্তের (সামনের সারি) বিচারিক আদালতে। ছবি: ভারত সরকার

আরএসএসের এই কংগ্রেস বিরোধিতা এতই বিদ্বেষমূলক যে, সেখানে বিচার-বিশ্লেষণ, ব্যক্তিত্ব, শালীনতা, শিষ্টাচার–এসব কোনো কিছুরই পরোয়া করা হচ্ছে না। এই ধরনের আচরণ সাধারণ মানুষকে যথেষ্ট বিরক্ত করে তুলছে। আরএসএস নেতৃত্বের সমস্ত বক্তৃতাই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে পরিপূর্ণ। হিন্দুদের উদীপ্ত করার জন্যে কি বিষ ছড়াবার প্রয়োজন আছে? হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে কি বিষ উগরে দেওয়ার কোনো যুক্তি আছে? এই বিষয়ের চূড়ান্ত ফল হিসেবেই গান্ধীজীর জীবন হারাতে হয়েছে। সরকার বা সাধারণ মানুষের আরএসএসের জন্যে আর বিন্দুমাত্র সহানুভূতি অবশিষ্ট নেই। সাধারণ মানুষের ভেতরে সংঘ সম্পর্কে বিরুদ্ধ মনোভাব ক্রমশ বাড়ছে। গান্ধীজীর মৃত্যুর পর আরএসএসের লোকেরা আনন্দ প্রকাশ করেছে। তারা এমনকি মিষ্টি পর্যন্ত বিতরণ করেছে। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মন সংঘের প্রতি বিদ্বেষে ভরে উঠেছে। তাই এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের সংঘের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল। এর পরও ছয়মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, এই সময়কালের ভেতরে সবদিক বিবেচনা করে আরএসএস তার লোকেদের সঠিক পথে ফিরে আসার নির্দেশ দেবে। কিন্তু আমার কাছে সুনির্দিষ্ট খবর আছে এই যে, নিজেদের পুরোনো কর্মপদ্ধতিতে নতুন করে গতি সঞ্চারের দিকে তীব্রভাবে নজর দিয়ে আরএসএস কাজ করে চলেছে (পৃ-২৬-২৮)।

আরও পড়ুন:

যে বিজেপি আজ ভারতের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত, তার পূর্বসূরি হিন্দু মহাসভা এবং তাদের মূল চালিকা শক্তি আরএসএস যে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করে প্রবহমান ভারতের সমন্বয়ী ধারাকে গলা টিপে মেরে এ দেশকে মুসলমানসহ যাবতীয় সংখ্যালঘু শূন্য করে রাজনৈতিক হিন্দুদের তথাকথিত আবাসভূমি ‘হিন্দুরাষ্ট্র’ করতে বদ্ধপরিকর, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আরএসএস-এরই ঘরের লোক সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের ১৯৪৮ সালের ১৮ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে লেখা এক চিঠিতে। 

সর্দার প্যাটেল লিখছেন: আরএসএস এবং হিন্দু মহাসভা সম্পর্কে এটাই বলতে হয় যে, গান্ধীজীর হত্যা বিষয়ক মামলাটি এখন আদালতে বিচারাধীন। তাই আমি এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার বিষয়ে আরএসএস ও হিন্দু মহাসভার ভূমিকা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে আমার কাছে যেসব সরকারি প্রতিবেদন আছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলাই যায় যে, আরএসএসের কার্যকলাপের দরুন গোটা দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যে, তার ফল হিসেবেই এমন একটি বিয়োগান্তক নাটক ঘটে যাওয়া সম্ভবপর হয়েছে। হিন্দু মহাসভার চরমপন্থী অংশটি গান্ধীজী হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল। তাদের এই গান্ধীজী হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা নিয়ে আমার মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। আরএসএসের যাবতীয় কাজকর্ম ভারত সরকার এবং ভারত রাষ্ট্রের অস্তিত্বের বিষয়েই একটা সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করে দিচ্ছিল। আমাদের সরকারের বিভিন্ন রিপোর্ট থেকেই জানা যাচ্ছে যে, আরএসএসকে নিষিদ্ধ করা হলেও ওইসব কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যায়নি। প্রকৃত ঘটনা হলো; এই সময়কালে আরএসএস এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ দলগুলো এখন আরও ভয়ঙ্কর মাত্রায় বিরোধিতায় লিপ্ত হয়েছে। আরএসএস তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ক্রমশ বাড়িয়েই চলেছে (সিলেকটেড করেসপনডেন্স–সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, ১৯৪৫-৫০, দ্বিতীয় খণ্ড। নবজীবন পাবলিশিং হাউস। আহমেদাবাদ। ১৯৭৭। পৃষ্ঠা: ২৭৬-২৭৭)।

এই আরএসএসই এখন ভারত সরকারের প্রধান চালিকা শক্তি। এই আরএসএস-এর রাজনৈতিক সংগঠন, অতীতের হিন্দু মহাসভার বিবর্তিত সংস্করণ ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এখন দেশ শাসন করছে। তাদেরই নেতা তথা প্রাক্তন সংঘ প্রচারক নরেন্দ্র মোদি এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

লেখক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গবেষক ও কলাম লেখক

[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দীর্ঘদিন ধরেই একটি মৌলিক নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আর তা হলো ‘সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।‘ কিন্তু বৈশ্বিক ভূরাজনীতির পরিবর্তন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির...
ভারতের সঙ্গে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী ভাগাভাগি এ অঞ্চলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও ন্যায্য পানি–অধিকারের প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপড়েন, ক্ষমতার অসমতা এবং...
নেপালসহ দেশে দেশে সরকার পতন ও এরপরের ‘খিচুড়ি’ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিতে সেসব অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো না হয় ‘ডাল’ আর ‘চাল’-এর ভূমিকা নিয়েছে। আগুন হিসেবে কাজ করেছে জেন জি-র ক্ষোভ। কিন্তু খিচুড়ি রান্নার...
‘বিপ্লব, নাকি করপোরেট শক্তির খেল’–প্রশ্নটা আজ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির সামনে এক বিরাট ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চার বছরের মধ্যে ভারতের তিন প্রতিবেশী দেশ–শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপাল–গণআন্দোলনের জেরে...
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন...
হবিগঞ্জে পৃথক অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের মূল হোতাসহ মোট ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জে র‍্যাব-৯-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব কর্মকর্তারা।
বেলুচিস্তানের খোজদার জেলার জিদিতে চালানো এক অভিযানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। বেলুচিস্তান পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর