সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মনিরা শারমিনের আপিল খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে। সোমবার শুনানির প্রথম দিনে এই সিদ্ধান্ত জানায় ইসি। এদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র জমা নিতে ইসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়া ৫০ জনের মধ্যে ৪৯ জনের ফরম প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এদের মধ্যে আছেন বিএনপি জোটের ৩৬, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ ও স্বতন্ত্র একজন।
সোমবার আপিল শুনানির প্রথম দিনে এনসিপির মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে ইসি। এ নিয়ে হাইকোর্টে যাওয়ার কথা জানালেন তিনি।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, ‘আমাদের মতো প্রতিষ্ঠিত নারী যারা আসতে চায় এখানে সেখানে ৩ বছরের যে শর্ত সেটা মনে হয় কিছুটা বৈষম্যমূলক।’
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে বিএনপির প্রার্থী জীবা আমিনা খান ও লাভজনক পদে থাকার অভিযোগে মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদন করা হয়। ইসি জানায়, জীবার বিরুদ্ধে আপিলকারী প্রার্থী না হওয়ায় তা খারিজ করা হয়েছে। আর মাধবীর বিরুদ্ধে আবেদন আইন শাখায় জমা না দেওয়ায় নথিভুক্ত হয়নি। এ নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন বিপক্ষের আইনজীবীরা।
আইনজীবী ব্যারিস্টার হারুনুর রশীদ বলেন, ‘জীবা আমিনা খানের নমিনেশন পেপার রিটার্নিং অফিসার ২৩ তারিখে একসেপ্ট করে। এখানে আমার মনে হয় আইনের চরম ব্যত্যয় হয়েছে। আমরা এই বিষয়গুলো কমিশনকে বলেছি।’
ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রা চাকমা বলেন, ‘মনোনীত প্রার্থী শুধুমাত্র ১১ দলীয় জোটের কেউ হলে আপিল করতে পারবে। ওখানে অন্য কারো আপিল করার সুযোগ নেই।’
২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোটের তারিখ ১২ মে। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা।



