জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতা ও মাস্টারমাইন্ড প্রশ্নে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। রোববার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে উদ্ধৃত করে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরপরই বিরোধীদলীয় নেতা একটি কথা বলেছিলেন, আমাদের সাথে আন্দোলনের প্রধান নায়ক, আমি তাঁকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, তারেক রহমান, আজকে সংযুক্ত হয়েছেন। তিনি দূরে থেকেও জাতিকে আমি বলব, অত্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে, অত্যন্ত সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি নেতৃত্ব দিয়ে এই গণ-অভ্যুত্থানটাকে সফল করেছেন বলে আজকে আমরা এই জায়গায় এসেছি, এটা তাঁর মুখের কথা। কাজেই বাজেট নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতারা যে চিন্তিত আছেন, আপনাদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
তাঁর বক্তব্যের পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড মানি না। আগস্টের পাঁচ তারিখের পরে আমার এই বক্তব্য। ওই সময়ে যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে, আমার মনে হয় আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা আমাদের ঠিক রাখতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলমকে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। মাহফুজ নিজেও ওই সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘এমনকি ড. ইউনূস আমেরিকায় গিয়ে একজনকে মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি যে প্রথম প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুবসমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’



