তরুণদেরকে এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে আজ শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এআই প্রযুক্তিবিষয়ক এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনে ছিল ইন্সটিটিউশন ফর গ্লোবাল কোঅপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ)।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) লরা অ্যাডামস, আইজিসিএফের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান এবং নির্বাহী পরিচালক শামা ওবায়েদ।
আইজিসিএফ তার ইয়ুথ স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী। উল্লেখ্য, উদ্ভাবনী ও গবেষনাধর্মী কাজের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়ন ও বিশ্বমানের নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চলতি বছর আইজিসিএফ যাত্রা শুরু করে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) লরা অ্যাডামস বলেন, ‘পরিবর্তিত বিশ্বে তরুণদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকল্প নেই। বাংলাদেশের তরুণরা এর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে পারে।’
এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজিসিএফ সদস্য ইমামুল হক শামীম। এরপর কর্মশালার অন্যতম প্রশিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, জেনজিদের হাত ধরে জুলাই বিপ্লব হয়েছে, ভবিষ্যতে তারাই এআই বিপ্লব ঘটাবে। এআই ব্যবহারে দক্ষ হয়ে তরুণরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে ভূমিকা রাখবে।
আইজিসিএফ সদস্য ও বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের গবেষণা পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ না হলে আগামী এক দশকে আমরা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ব।
আজকের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অধ্যাপক ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাদমান তাহমিদ খাান, নেটকম লার্নিং গ্লোবাল লিমিটেডের তানভীর খান এবং এআই এথিক্স ও সিএস বিশেষজ্ঞ ড. কামরুদ্দিন মো. নূর।



