ম্যানচেস্টার সিটি আর রেয়াল মাদ্রিদের অবস্থা এমন হয়েছে যে, অন্তত একবার একে অন্যের মুখোমুখি না হলে যেন তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগের সূচি সম্পূর্ণ হয় না!
শুধু ২০২০-২১ চ্যাম্পিয়নস লিগ বাদ দিলে সর্বশেষ সাত বছরের বাকি প্রতিটিতেই চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা হয়েছে দুই দলের। এই বছরের চ্যাম্পিয়নস লিগেও গ্রুপ পর্বে ডিসেম্বর দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল। কিন্তু নিওনে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ড্র নিশ্চিত করে দিল, এবার একবার মুখোমুখি হয়েই শেষ হচ্ছে না দুই দলের লড়াই। মার্চে শেষ ষোলোতেও মুখোমুখি হচ্ছে তারা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে রেয়াল মাদ্রিদ আবার পড়েছে ম্যানচেস্টার সিটির সামনে। ওদিকে বার্সেলোনার প্রতিপক্ষ আরেক ইংলিশ দল নিউক্যাসল।
একেবারে শক্তিতে-নিক্তিতে সমানে সমান দুই দলের লড়াই খুঁজতে গেলে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্রতে চেলসি-পিএসজির কথাও বলতে হবে। এর বাইরে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ গালাতাসারাই, আর্সেনালের সামনে পড়ছে লেভারকুসেন। এই মৌসুমের চমক বোদো/গ্লিমট পেয়েছে স্পোর্তিং ক্লুব দো পর্তুগালকে (স্পোর্তিং সিপি)। বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিপক্ষ আতালান্তা, আতলেতিকো মাদ্রিদ পাচ্ছে টটেনহ্যামকে।
শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ড্র-ই নয়, আজকের ড্র ঠিক করে দিয়েছে প্রতিটি দলের টুর্নামেন্টের বাকি অংশের সম্ভাব্য গতিপথও। বার্সেলোনা, নিউক্যাসল, চেলসি, পিএসজি, লিভারপুল, গালাতাসারাই, আতলেতিকো, টটেনহ্যাম পড়েছে এক ভাগে। অর্থাৎ, বার্সেলোনা/নিউক্যাসল, আর চেলসি/পিএসজি ম্যাচ দুটির জয়ী দলগুলো খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখানে জয়ী দল সেমিফাইনালে কাদের পাবে সেটা নির্ভর করবে লিভারপুল/গালাতাসারাই আর আতলেতিকো/টটেনহ্যামের দিক থেকে কারা উঠে আসে তার ওপর।
অন্যদিকে মাদ্রিদ-সিটি ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে স্পোর্তিং-বোদো/গ্লিমটের মধ্যে জয়ী দলের সঙ্গে। সেখানে জয়ী দল উঠবে সেমিফাইনালে। সেখানে তাদের সামনে দাঁড়াবে বায়ার্ন-আতালান্তা আর আর্সেনাল-লেভারকুসেনের ভাগ থেকে উঠে আসা দল।
শেষ ষোলোর প্রথম লেগ ১০ ও ১১ মার্চ, দ্বিতীয় লেগ ১৭ ও ১৮ মার্চ।



