মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পরও আজ মঙ্গলবার কাতারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনার জন্য দোহায় প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে তেহরান। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ফ্রান্সের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
পাল্টাপাল্টি হামলার পর কাতারের রাজধানী দোহায় আজ মঙ্গলবার ইরানের সঙ্গে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাল্টাপাল্টি হামলার পর তেহরানের অনুরোধেই এ বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মত মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে আমরা সামরিকভাবে জিতেছি। আর ব্যাপারটা আসলে খুবই সহজ, সেটা হলো তেহরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ। আমরা চাই না তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক, এবং তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবেও না। তারা এতে রাজিও হয়েছে।’
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। এতে দোহায় বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৭ জুন হওয়া সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন, যার মধ্যে জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্তি অন্তর্ভুক্ত, তা তদারকির জন্য এ সপ্তাহে ইরানি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদলকে দোহায় পাঠানো হবে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকিকে অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট। ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারকটি মেনে চললেই কেবল তেহরান তার বাধ্যবাধকতা পূরণ করবে বলেও জানান মাসুদ পেজেশকিয়ান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ওমান ও ফ্রান্সের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। সংবেদনশীল ও জটিল পরিস্থিতিতে প্যারিসকে উসকানি দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম গরিবাবাদি।



