পশ্চিমবঙ্গে তরুণদের কর্মসংস্থান ও নারীদের নিরাপত্তায় গুরুত্ব দেবে নতুন সরকার। এছাড়া, কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে থেমে থাকবে না কোনো প্রকল্প। এদিকে নির্বাচনে কারচুরির অভিযোগ এনেছে ১৫ বছর রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। বিকেলে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন ও ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের কলকাতা প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে এসব খবর জানা যায়।
বিধানসভা নির্বাচনে ২০৬ আসনে জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। নতুন সরকারের আগামীর রূপরেখা কেমন হবে, এরই মধ্যে আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। রাজ্য-কেন্দ্রের টানাপড়েনের জেরে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পটি দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়নি। এছাড়া, কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে কোনও প্রকল্পই থেমে থাকবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদি।
ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবে পশ্চিমবঙ্গ। তরুণদের জন্য ব্যাপকহারে কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে নারীদের নিরাপত্তায়। এছাড়া, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতেও কাজ করবে বিজেপি।
এদিকে, ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে ঐতিহাসিক জয়ে পর পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, দলের পরবর্তী লক্ষ্য ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। মমতা বন্দোপাধ্যায়, তেজস্বী যাদব, রাহুল গান্ধী ধরাশায়ী হয়েছে উল্লেখ করে অখিলেশ যাদবেরও একই পরিণতি হবে বলে মত তাঁর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারী নিরাপত্তাসহ বিজেপি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নই নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে, ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছে ১৫ বছর রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনকে বিজেপি কমিশন অভিহিত করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এছাড়া, টালিগঞ্জ, জলপাইগুড়ি, পশ্চিম মেদিনীপুর ও কোচবিহারে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরসহ নেতা-কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ আনা হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে।



