নৌ অবরোধে কতটা চাপে সৌদি আরব?

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ পিএম

হুতিদের অবরোধে বাব আল-মান্দেবে নৌ চলাচল ব্যাহত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানি। দেশটির তেল রপ্তানির আয় কমাসহ ‘ভিশন ২০৩০’-এর মেগা প্রকল্প ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও চাপে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথেই জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় অস্থিরতার আশঙ্কা তাঁদের।

ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী গত ১৩ জুলাই হামলা চালায় হুতিদের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এর জেরে সৌদি আরবে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুতিরা। সাম্প্রতিক হামলা ও ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের সামরিক অভিযানের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সোমবার বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হুতিরা।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে সংকট চলায় বাব আল-মান্দেব এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ। তেল ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে বিকল্প পথ হিসেবে লোহিত সাগরের এই রুটটি ব্যবহার করছে সৌদি আরব। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ পদক্ষেপের জেরে ২০২২ সালের সৌদি-হুতি অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেস্তে যেতে পারে।

চ্যাথাম হাউসের গবেষক ফারেয়া আল-মুসলিমি বলেন, ‘হুতিদের এই ঘোষণা মূলত ২০২২ সালে সৌদির সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি শেষ করার ইঙ্গিত। এখন হুতিদের প্রধান লক্ষ্য হতে পারে লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ। তবে এতে শুধু সৌদি নয়; যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

বাব আল-মান্দেবে সৌদি জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে দেশটির অর্থনীতিতে বিশাল ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন এই বিশ্লেষক।

ফারেয়া আল-মুসলিমি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির সংকটে সৌদি আরব বিকল্প হিসেবে লোহিত সাগরের রুট ব্যবহার করছিল। এখন সেই পথও ঝুঁকিতে পড়লে দেশটির আয়, ভিশন ২০৩০-এর উন্নয়ন প্রকল্প ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি বড় চাপের মুখে পড়তে পারে।’

বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশ জ্বালানি তেল পরিবহন হয় বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে। আর হরমুজ দিয়ে যায় প্রায় ২০ শতাংশ তেল। এই দুটি সমুদ্রপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হলে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের ২৫ শতাংশই ব্যাহত হবে।

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এই নৌ অবরোধের কথা জানিয়েছেন ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি।
ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সৌদি-সমর্থিত সরকার। একটি ইরানি উড়োজাহাজের অবতরণ ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় হোদেইদাহ প্রদেশে হুতি বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন সরকারি সেনা নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। 
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সৌদির যুদ্ধবিমান ইরান থেকে ইয়েমেনগামী একটি বেসামরিক বিমান অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ...
বেলুচিস্তানের খোজদার জেলার জিদিতে চালানো এক অভিযানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। বেলুচিস্তান পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০...
১৯৭১–এর পর ২০২৬ সালে এসে আবারও কি একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে? সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে একটি চিঠি। দাবি করা হচ্ছে, ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর