হুতিদের দমনে সৌদি আরবের সামনে তিন বড় চ্যালেঞ্জ

হুতিদের দমনে তিনটি মূল চ্যালেঞ্জের মুখে সৌদি আরব। সামরিক অভিযান জোরদার করলেও, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা, রিয়াদের নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ। বিশেষ কোরে বিমানবন্দরে হামলার পর এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আবার স্থল অভিযানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা থাকছে। হুতিদের বিষয়ে সৌদি আরবের সিদ্ধান্তের ওপর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাও নির্ভর করছে। 

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ এএম

হুতিদের দমনে তিনটি মূল চ্যালেঞ্জের মুখে সৌদি আরব। সামরিক অভিযান জোরদার করলেও, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা, রিয়াদের নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ। বিশেষ কোরে বিমানবন্দরে হামলার পর এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আবার স্থল অভিযানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা থাকছে। হুতিদের বিষয়ে সৌদি আরবের সিদ্ধান্তের ওপর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাও নির্ভর করছে। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে সৌদি আরব। সরকারি বাহিনীকে সহায়তা দিতে বড় অভিযান শুরু করলেও পিছু হটেন হুতিরা। বরং সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

দীর্ঘদিনের সৌদি-হুতি সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের মোকাবিলায় এখন তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রিয়াদ।

সৌদি আরবের সামনে ৩ চ্যালেঞ্জ। এগুলো হলো–হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকানো, ইয়েমেনে দীর্ঘস্থায়ী স্থলযুদ্ধ এড়িয়ে চলা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রদের সক্রিয় সমর্থন নিশ্চিত করা।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সামনে তাই কঠিন হিসাব। ইয়েমেনের দুর্গম ভূখণ্ডে স্থল অভিযানে গেলে, দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবার বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালালে সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে গোটা অঞ্চলে। এতে ঝুঁকিতে পড়বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে সৌদি আরবের ভাবমূর্তি। 

অন্যদিকে, ইরানের সহায়তায় হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা বেড়েছে বলে অভিযোগ ইয়েমেন সরকারের। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও, বিস্তীর্ণ আকাশসীমা এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা একসঙ্গে সুরক্ষিত রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার, একাধিক দিক থেকে হামলা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ফাঁক কাজে লাগানোর কৌশলও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

হুতিদের মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের সমর্থন চেয়েছে রিয়াদ। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলায় যোগ দেয়নি। সৌদি যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের অনুরোধ জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে।  আপস...

হুতিদের হামলা ঠেকাতে সামরিক অভিযান বৃদ্ধি আর দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ঝুঁকি এড়িয়ে চলা--এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজতে হচ্ছে সৌদি আরবকে। রিয়াদের যে কোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে।

ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানায় তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এর আগে, তেল স্থাপনার আশপাশের এলাকার মানুষকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি জোটের মুখপাত্র...
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা অত্যন্ত খারাপ আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাসহ বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা ইস্যুতে এ কথা বলেন তিনি । 
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুতিদের ধারাবাহিক হামলায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে দেশটিতে। ফলে সৌদিতে ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ একাধিক দেশ।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক সপ্তাহে চতুর্থ দফা হামলা চালিয়েছে হুতিরা। রোববারের হামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছে। 
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া যাদের মূল কাজ—সেই পুলিশই যখন নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তখন প্রশ্ন ওঠে পুরো ব্যবস্থার ওপর। সম্প্রতি খুলনা নগরীতে ঘটে গেছে এমনই এক...
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ না নিলেও বিতর্কের সুযোগ থাকবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার বিকেলে  জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে সংবাদ...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের...
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশ যখন সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল, তখন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বহু বছরের অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পতন, দুর্নীতি,...
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর