আহমেদাবাদে টস-ভাগ্য পক্ষে পায়নি ভারত। টস জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। এবং ফিল্ডিং বেছে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
এতে অবশ্য ভারতের পরিকল্পনায় কোনো অসুবিধা হয়নি। এবারের বিশ্বকাপে আহমেদাবাদে পরে ব্যাট করেই বেশি জিতেছে দলগুলো। তবু আগে ব্যাটিং করতে চেয়েছিলেন রোহিত শর্মা। ভারত অধিনায়কের সে ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। আর টস হারায় ইতিহাসকেও সঙ্গী পাচ্ছে ভারত।
২০০৭ সালের পর থেকেই যে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে টস বিজয়ী দল হেরে যাচ্ছে। ২০১১ বিশ্বকাপে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া শ্রীলঙ্কা হেরেছিল, হেরেছিল ২০১৫ বিশ্বকাপেও একই কাজ করা নিউজিল্যান্ড। এতেও শিক্ষা হয়নি কিউইদের। ২০১৯ বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল দলটি। এবং ইতিহাসের সেরা ফাইনালের জন্ম দিয়ে হেরেছে।
শুধু যে গত তিন বিশ্বকাপেই টসজয়ী দল হেরেছে, এমন নয়। আজকের আগে বিশ্বকাপের ১২টি ফাইনালে টস জিতে মাত্র ৪বার জিততে দেখা গেছে। অর্থাৎ ৬৬.৬৭ ভাগ ক্ষেত্রেই টসের হাসি ম্যাচ শেষে হারিয়ে গেছে।
প্রথম তিন বিশ্বকাপেই টস জিতে হেরেছে দলগুলো। ১৯৮৭ সালে প্রথম এর ব্যতিক্রম কিছু দেখায় অস্ট্রেলিয়া। পরের বিশ্বকাপে পাকিস্তানও টসভাগ্যের সঙ্গে ম্যাচভাগ্যকে সঙ্গে পেয়েছিল। এবং ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কা হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে।
এরপর দীর্ঘ বিরতি। আবার কোনো দলের টস জিতে বিশ্বকাপ জেতার জন্য ২০০৭ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া টস জিতে ব্যাটিং নেয়। অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ১০৪ বলে ১৪৯ রানের ইনিংসে ৩৮ ওভারে ২৮১ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। তাড়া করতে নামা শ্রীলঙ্কা কখনোই ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি।



