আমার অভিনীত প্রথম সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। এটা যখন করেছিলাম তখন সেভাবে খুব একটা অভিনয়ও করিনি আমি। তো সেই জায়গা থেকে এক্সাইটমেন্ট (উদ্দীপনা) একটু বেশিই কাজ করছে। কেমন অভিনয় করেছি, সেটা দেখার জন্য আরকী! ঈদ তো সবার জন্যই বড় একটি উৎসব। আর প্রথম সিনেমাটিই ঈদে আসছে, সেটাও একটা এক্সাইটমেন্ট। সব মিলিয়ে খুবই ভালো লাগছে। সেলিম ভাইয়ের ড্রিম প্রজেক্ট। আমরা অনেকেই আছি এতে। অনেক গুণী গুণী শিল্পীরা এই সিনেমায় কাজ করেছেন।
দর্শকদের আমন্ত্রণ জানাই ‘কাজলরেখা’ দেখার জন্য। সিনেমাটি কিন্তু আমরা যাঁরা অ্যাডভান্স জেনারেশন কিংবা এই সময়ের, তাঁদের গল্পে নয়, এটা অনেক পুরনো দিনের একটা গল্প। যেখানে লুক-ফিল সব কিছুতেই সেই অতীতের ছোঁয়াটা রয়েছে। বলা যায় যে, আমাদের দেশের ঐতিহ্যকে তুলে আনা হয়েছে এই সিনেমায়। তো সেটা দেখা কিংবা জানার জন্য হলেও সিনেমাটি দেখা উচিৎ। বিশেষ করে সিনেমাটির গানগুলো খুব সুন্দর। সিনেমাটোগ্রাফি-লোকেশনও। সব মিলিয়ে দর্শকদের বলব, সিনেমাটি আপনরা পরিবার-পরিজন নিয়ে হলে গিয়ে দেখবেন।
এ ছাড়া এবারের ঈদে আরও একটি সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। এবারই প্রথম ঈদের আমেজে সিনেমা হলে যাব। এর আগে এমনটা সম্ভব হয়নি; কারণ ঈদ করা হয় বরিশালে, গ্রামের বাড়িতে। পরিবারের সঙ্গেই দিনটি কাটে। সেভাবে ঈদের সময় কখনোই সিনেমা দেখা হয়নি। এবারই প্রথম দেখব, তাও সেটা আমারই সিনেমা। মুহূর্তটা আমার জন্য খুব স্পেশাল। কারণ, ঈদের দিন জীবনে প্রথমবার সিনেমা হলে গিয়ে কোনো সিনেমা দেখব এবং সেটা আমার নিজেরই সিনেমা।
অন্যদিকে, এবারের ঈদের অন্য সিনেমাগুলোও দেখার প্ল্যান রয়েছে। কাজলরেখা তো দেখবই; পাশাপাশি ‘রাজকুমার’, ‘ওমর’ ও ‘দেয়ালের দেশ’ দেখার ইচ্ছে রয়েছে। বিশেষ করে দেয়ালের দেশ ছবিটার সিনেমাটোগ্রাফি খুব ভালো লেগেছে। গল্পটা আমার কাছে একটু ভিন্ন ধরনের বলে মনে হয়েছে।
অনুলিখন: রাব্বানী রাব্বি



