ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুনে পুড়ে ছাই শত শত টন আমদানি পণ্য। এতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত কয়েক শ কোটি টাকা। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বোঝা যাবে তদন্তের পর।
শনিবার সন্ধ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিমান পরিবহন উপদেষ্টা। এদিকে, যেসব পণ্যের বিমা আছে, কবে নাগাদ এর ক্ষতিপূরণ পাবেন তা নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
মোহাম্মদ ফারুক, বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের জেনারেল ম্যানেজার। কয়েকদিন আগে আমেরিকা থেকে এনেছেন ওয়াটার কোয়ালিটি মনিটরিং ও সরকারি কর্মচারি হাসপাতালের পণ্য। যা সরবরাহ করতেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে। খালাস করার কথা ছিল রোববার। তবে আগুনে সব পুড়ে ছাই। ক্ষতি হয়েছে প্রায় সাত কোটি টাকা। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে হা হুতাশ করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না তার।
বাংলাদেশ সায়েন্স হাউজের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ ফারুক বলেন, বৃহস্পতিবার সব কার্যক্রম শেষ হয়েছে। রোববার পণ্য নেওয়ার কথা ছিল। আমাদের প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শুধু ফারুক নয়, আগুনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত অনেক আমদানিকারক। কার্গো কমপ্লেক্সে থাকা সব ধরনের পণ্যই পুড়ে ছাই।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, শুধু আমদানি কার্গোতে দুর্ঘটনা ঘটেছে। রপ্তানি কার্গো নিরাপদ আছে। কার্গো ভিলেজে আগুনে ব্যাপক ক্ষয় হয়েছে আমদানিকারকদের।


শাহজালালে কার্গো ভিলেজে আগুন
শাহজালালে কার্গো ভিলেজের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে ৫ সদস্যের কমিটি
