ইরাকে মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাঁর মরদেহ দেশে আনা হলো।
শুক্রবার ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে মরদেহ বহনকারী বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন।
নিহত মোহাম্মদ শ্রাবন মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ নলি মিয়ার সন্তান। জীবিকার সন্ধানে দীর্ঘ ১০ বছর আগে তিনি ইরাকের বাগদাদে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সম্প্রতি বাগদাদে যুদ্ধকালীন সময়ে নিক্ষিপ্ত একটি মিসাইলের আঘাতে তিনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
বাগদাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। গত ২৭ মে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নম্বর-TK0843 এর মাধ্যমে মরদেহটি রওয়ানা হয়। এরপর তুরস্কে ২৯ ঘণ্টার দীর্ঘ ট্রানজিট শেষে পুনরায় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-TK0712 যোগে আজ সকালে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় দাফন-কাফনের জন্য শ্রাবনের পরিবারের হাতে ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।



