ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ও চলমান অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় (হাই অ্যালার্ট) রয়েছে ইসরায়েল। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের তিনজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীকে পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্প্রতি দেশটির নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিষয়ে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই সর্বোচ্চ সতর্কতা কীভাবে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে, ইরান পরিস্থিতি নিয়ে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাঁদের আলোচনায় ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস বা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা এই ফোনালাপের সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানে ক্ষমতার পটপরিবর্তন বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যা মোকাবিলায় আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল।


ইরান স্বাধীনতা চায়, সহায়তায় প্রস্তুত আমেরিকা: ট্রাম্প
