প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩, ০১:১৪ পিএমআপডেট : ০৯ জুন ২০২৩, ০৪:১৮ পিএম
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অর্থ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পর বক্তব্য দিয়েছে তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইউনূস সেন্টার। গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে যে অর্থের কথা বলা হয়েছে তা পুরোটাই ড. ইউনূসের নিজের অর্জন করা বলে জানানো হয়।
আজ শুক্রবার ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদের পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়।
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি অনুযায়ী, উপার্জনের সূত্র হিসেবে ড. ইউনূসের বক্তৃতার উপর প্রাপ্ত ফি, বই বিক্রির টাকা এবং পুরস্কারের টাকার কথা উল্লেখ করা হয়। এর প্রায় পুরো টাকা বিদেশে অর্জিত টাকা। এই টাকা বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলে আনা হয়েছে। কর বিভাগ তা অবহিত আছে। কারণ সব টাকার হিসাব তাঁর আয়কর রিটার্নে উল্লেখ থাকে বলে বক্তব্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি জীবনে কোনো সম্পদের মালিক হতে চাননি। তিনি মালিকানামুক্ত থাকতে চান। কোথাও তাঁর মালিকানায় কোনো সম্পদ নেই (বাড়ি, গাড়ি, জমি, শেয়ার ইত্যাদি)। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর উপার্জনের টাকা দিয়ে তিনি দুটি ট্রাস্ট গঠন করবেন। তিনি তাই করলেন।
একটি ট্রাস্ট করলেন প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ট্রাস্ট এবং অল্প কিছু টাকা দিয়ে (মোট টাকার ৬%) উত্তরসূরীদের কল্যাণের জন্য করলেন ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট। ফ্যামিলি ট্রাস্টের মূল দলিলে এই রূপ বিধান রেখে দিলেন যে তাঁর পরবর্তী এক প্রজন্ম পরে এই ট্রাস্টের অবশিষ্ট টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল ট্রাস্টে ফিরে যাবে। তিনি এটি করেন যাতে তাঁর বর্তমানে এবং অবর্তমানে টাকাটা ট্রাস্টিদের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে থাকে এবং তাঁরা ট্রাস্ট দুটির লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৎপর থাকে।
দানকর দেওয়ার প্রশ্ন এলো কেন?
তাঁর নিজের টাকা নিজের কাছে রেখে দিলে তাঁকে কম ট্যাক্স দিতে হতো। কারণ ব্যক্তিগত করের হার প্রতিষ্ঠানিক করের হারের চেয়ে কম। দানকরের প্রসঙ্গটি তুললেন তাঁর আইনজীবি। আইনপরামর্শক বললেন, ট্রাস্ট গঠনের কারণে তাঁকে দানকর দিতে হবে না। কারণ বড় ট্রাস্টটি জনকল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত। ফ্যামিলি ট্রাস্টের ব্যাপারে তিনি পরামর্শ দিলেন যে এ রকম ক্ষেত্রে (অর্থাৎ প্রফেসর ইউনূসের অবর্তমানে তাঁর সম্পদের কী হবে সে চিন্তায় যদি তিনি কোনো ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন তবে সেক্ষেত্রে) তাঁকে কোনো কর দিতে হবে না। কারণ এটা হবে তাঁর অর্জিত টাকার একটি সুব্যবস্হা করে যাওয়া। তাঁর পরামর্শের ভিত্তিতে টাকা স্থানান্তর করার সময় প্রফেসর ইউনূস কোনো কর দেননি। কিন্তু তিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করার পর কর বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানালেন যে, এক্ষেত্রে তাঁকে কর দিতে হবে। রিটার্নের যেখানে তিনি দানের তথ্যটি উল্লেখ করেছিলেন, সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা তাঁর ওপর দানকর ধার্য করে দিলেন। তিনি টাকার অংকটা রিটার্নস এ উল্লেখ করায় কর কর্মকর্তা তা দেখে কর আরোপ করেছেন।
আইন পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রফেসর ইউনূস এ ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত চাইলেন। আদালত কর দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
এই হলো মোট ঘটনা। এখানে তাঁর কর ফাঁকি দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। কর দিতে হবে কিনা এ ব্যাপারে তাঁর পক্ষ থেকেই আদালতের সিদ্ধান্ত জানতে চাওয়া হয়েছিল। আদালতে সরকার যায়নি, প্রফেসর ইউনূস গিয়েছেন। কর বিভাগ কোনো পর্যায়ে বলেনি যে প্রফেসর ইউনূস কর ফাঁকি দিয়েছেন। এখানে কর ফাঁকি দেওয়ার কোনো প্রশ্ন উঠেনি। প্রশ্ন ছিল আইনের প্রয়োগ যোগ্যতা নিয়ে। এখন প্রফেসর ইউনূস বিবেচনা করবেন তিনি কর পরিশোধ করবেন নাকি উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত চাইবেন। করের আইন যদি এক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য না হয় প্রফেসর ইউনূস তাহলে সে টাকাটা জনহিতকর কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। এই হলো কর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হবার জন্য নয়।
প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে প্রফেসর ইউনূস ট্রাস্টের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশ ভ্রমনে ব্যয় করেন। বিষয়টি মোটেই সত্য নয়। তাঁর বিদেশ ভ্রমনের সকল ব্যয় আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বহন করে। শুধু তাই নয় প্রতি ভ্রমণে একজন অতিরিক্ত ব্যক্তিকে সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার ব্যয় আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বহন করে। প্রফেসর ইউনূসের বিদেশ ভ্রমণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যয় তাঁর কোনো ট্রাস্টকে বা তাঁকে বহন করতে হয় না। কখনো কখনো তাঁকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রাইভেট বিমান পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে টাকা খরচের চিন্তা তাঁকে কখনো করতে হয় না।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকার অভিপ্রায় জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি জানান, দুই পদেই পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের নজির রয়েছে। প্রযুক্তি নির্ভর এ...
ভারতের নয়াদিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত আটজন বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছেন।
ঈদের আগে ও পরে ১৩ দিনে সারা দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৮১ জন। আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। আজ বৃহস্পতিবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পাবনা মানসিক হাসপাতাল এলাকায় ঠাকুর শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের স্মৃতিবিজড়িত বিশ্ব বিজ্ঞান কেন্দ্র ও মাতৃ মন্দির রক্ষার দাবি জানিয়েছে সৎসঙ্গ বাংলাদেশ। সম্প্রতি পাবনা মানসিক হাসপাতালের সম্প্রসারণ...
লন্ডনের মাটিতে লাল-সবুজের আরও একটি গর্বের পতাকা উড়ল। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লন্ডনের মেইজব্রুক ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার...
পূর্ববিরোধের জেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া ও গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কালাম তালুকদার (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর বাড়ি ‘চুনকা কুটির’-এর সামনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে পুলিশ। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আইভী এই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
ড. ইউনূসের দানকর নিয়ে যা বলল ইউনূস সেন্টার
আজ শুক্রবার ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদের পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়।
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি অনুযায়ী, উপার্জনের সূত্র হিসেবে ড. ইউনূসের বক্তৃতার উপর প্রাপ্ত ফি, বই বিক্রির টাকা এবং পুরস্কারের টাকার কথা উল্লেখ করা হয়। এর প্রায় পুরো টাকা বিদেশে অর্জিত টাকা। এই টাকা বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলে আনা হয়েছে। কর বিভাগ তা অবহিত আছে। কারণ সব টাকার হিসাব তাঁর আয়কর রিটার্নে উল্লেখ থাকে বলে বক্তব্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি জীবনে কোনো সম্পদের মালিক হতে চাননি। তিনি মালিকানামুক্ত থাকতে চান। কোথাও তাঁর মালিকানায় কোনো সম্পদ নেই (বাড়ি, গাড়ি, জমি, শেয়ার ইত্যাদি)। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর উপার্জনের টাকা দিয়ে তিনি দুটি ট্রাস্ট গঠন করবেন। তিনি তাই করলেন।
একটি ট্রাস্ট করলেন প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ট্রাস্ট এবং অল্প কিছু টাকা দিয়ে (মোট টাকার ৬%) উত্তরসূরীদের কল্যাণের জন্য করলেন ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট। ফ্যামিলি ট্রাস্টের মূল দলিলে এই রূপ বিধান রেখে দিলেন যে তাঁর পরবর্তী এক প্রজন্ম পরে এই ট্রাস্টের অবশিষ্ট টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল ট্রাস্টে ফিরে যাবে। তিনি এটি করেন যাতে তাঁর বর্তমানে এবং অবর্তমানে টাকাটা ট্রাস্টিদের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে থাকে এবং তাঁরা ট্রাস্ট দুটির লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৎপর থাকে।
দানকর দেওয়ার প্রশ্ন এলো কেন?
তাঁর নিজের টাকা নিজের কাছে রেখে দিলে তাঁকে কম ট্যাক্স দিতে হতো। কারণ ব্যক্তিগত করের হার প্রতিষ্ঠানিক করের হারের চেয়ে কম। দানকরের প্রসঙ্গটি তুললেন তাঁর আইনজীবি। আইনপরামর্শক বললেন, ট্রাস্ট গঠনের কারণে তাঁকে দানকর দিতে হবে না। কারণ বড় ট্রাস্টটি জনকল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত। ফ্যামিলি ট্রাস্টের ব্যাপারে তিনি পরামর্শ দিলেন যে এ রকম ক্ষেত্রে (অর্থাৎ প্রফেসর ইউনূসের অবর্তমানে তাঁর সম্পদের কী হবে সে চিন্তায় যদি তিনি কোনো ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন তবে সেক্ষেত্রে) তাঁকে কোনো কর দিতে হবে না। কারণ এটা হবে তাঁর অর্জিত টাকার একটি সুব্যবস্হা করে যাওয়া। তাঁর পরামর্শের ভিত্তিতে টাকা স্থানান্তর করার সময় প্রফেসর ইউনূস কোনো কর দেননি। কিন্তু তিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করার পর কর বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানালেন যে, এক্ষেত্রে তাঁকে কর দিতে হবে। রিটার্নের যেখানে তিনি দানের তথ্যটি উল্লেখ করেছিলেন, সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা তাঁর ওপর দানকর ধার্য করে দিলেন। তিনি টাকার অংকটা রিটার্নস এ উল্লেখ করায় কর কর্মকর্তা তা দেখে কর আরোপ করেছেন।
আইন পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রফেসর ইউনূস এ ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত চাইলেন। আদালত কর দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
এই হলো মোট ঘটনা। এখানে তাঁর কর ফাঁকি দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। কর দিতে হবে কিনা এ ব্যাপারে তাঁর পক্ষ থেকেই আদালতের সিদ্ধান্ত জানতে চাওয়া হয়েছিল। আদালতে সরকার যায়নি, প্রফেসর ইউনূস গিয়েছেন। কর বিভাগ কোনো পর্যায়ে বলেনি যে প্রফেসর ইউনূস কর ফাঁকি দিয়েছেন। এখানে কর ফাঁকি দেওয়ার কোনো প্রশ্ন উঠেনি। প্রশ্ন ছিল আইনের প্রয়োগ যোগ্যতা নিয়ে। এখন প্রফেসর ইউনূস বিবেচনা করবেন তিনি কর পরিশোধ করবেন নাকি উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত চাইবেন। করের আইন যদি এক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য না হয় প্রফেসর ইউনূস তাহলে সে টাকাটা জনহিতকর কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। এই হলো কর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হবার জন্য নয়।
প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে প্রফেসর ইউনূস ট্রাস্টের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশ ভ্রমনে ব্যয় করেন। বিষয়টি মোটেই সত্য নয়। তাঁর বিদেশ ভ্রমনের সকল ব্যয় আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বহন করে। শুধু তাই নয় প্রতি ভ্রমণে একজন অতিরিক্ত ব্যক্তিকে সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার ব্যয় আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বহন করে। প্রফেসর ইউনূসের বিদেশ ভ্রমণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যয় তাঁর কোনো ট্রাস্টকে বা তাঁকে বহন করতে হয় না। কখনো কখনো তাঁকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রাইভেট বিমান পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে টাকা খরচের চিন্তা তাঁকে কখনো করতে হয় না।