পটপরিবর্তনের এক মাস: কোন পথে বাংলাদেশ?

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৯:৩৫ পিএম

‘ফ্লোর রক্তে ভরে গিয়েছিল। গুলিটা কোত্থেকে যে এল, বুঝতেই পারিনি। চারপাশে অন্ধকার দেখছিলাম। ঘরের ভেতরেও আমার সন্তান নিরাপদ ছিল না। একটা নিষ্পাপ শিশুকে কেন মরতে হবে? আমি সরকারি চাকরিজীবী। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আহারে, আমার নিষ্পাপ সন্তানটা গুলিতে মারা গেল!’

কথাগুলো কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলছিলেন আবুল হাসান। আল জাজিরায় সন্তান আব্দুল আহাদকে হারানোর ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হাসান।

১৯ জুলাইয়ের বিকেল। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকার ভাড়া বাসার বারান্দায় খেলছিল ছোট্ট আবদুল আহাদ (৪)। বাসার নিচে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ চলছিল। আচমকা মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে আহাদ। বাবা আবুল হাসান ভেবেছিলেন ছেলে মাথা ঘুরে পড়ে গেছে। ধরে তুলতে গিয়ে দেখেন আহাদের চোখ, মুখ, মাথা রক্তে ভেজা। গুলি লেগেছে চোখে। হাসপাতালে নিয়েও পরে আর বাঁচানো যায়নি ছোট্ট আহাদকে। 

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে গত জুলাইয়ে রাস্তায় ব্যাপক আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে মাঠে নামে আইন‑শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন। সেই উত্তুঙ্গু অস্থির সময়েই নিজ ঘরে গুলিতে নিহত হয় শিশু আহাদ।

ইউনিসেফ বলছে, জুলাইয়ের বিক্ষোভের সময় ৩২ শিশু নিহত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই সংখ্যা আরও বেশি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, জুলাই ও আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিক্ষোভে ৬ শতাধিক নিহত হয়েছে। 

শেষমেশ ওই আন্দোলন পরিণত হয় সরকার পতনের দাবিতে। ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাস্তায় নেমে আনন্দ-উল্লাস করে ছাত্র-জনতা। ৮ আগস্ট দেশের দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১ মাস পূর্ণ হবে রোববার (৮ সেপ্টেম্বর)। এই এক মাসে কী হলো বাংলাদেশে? দেশ সংস্কারের কথা বলছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। সেই সংস্কারের পথে প্রথম ধাপটা কি শুরু হলো? বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিই‑বা কেমন? এসব নিয়েই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টে প্রকাশিত হয়েছে জুলহাস আলমের একটি প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে খোঁজা হয়েছে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি: রয়টার্সঅন্তর্বর্তী সরকারের ফোকাস কোনদিকে?
শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলে আসছেন, তাঁর প্রধান কাজ হবে শান্তি ও আইন‑শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ও নতুন করে নির্বাচন দেওয়া। উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন ছাত্রদের দুজন প্রতিনিধি। এই উপদেষ্টা পরিষদ বলছে, আদালত ও পুলিশ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশন–সব ক্ষেত্রে সংস্কার আনতে হবে। এ জন্য ইউএনডিপির সহযোগিতাও চাইছে অন্তর্বর্তী সরকার।

শেখ হাসিনার ‘স্বৈরতান্ত্রিক’ শাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা ছাত্র-জনতারও প্রধান দাবি এই সংস্কার। ড. ইউনূস বলে আসছেন, সবাই যেন শান্ত থাকেন। তাঁর সরকার সংস্কারে হাত দিয়েছে। সরকারি কার্যক্রমে মানুষের চাওয়া পূরণ হবে বলেও আশ্বাস দিয়ে আসছেন তিনি।

মামলার পর মামলা, টিকবে তো?
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যমতে, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এখন ভারতে রয়েছেন। এরই মধ্যে গত ১ মাসেরও কম সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছে শতাধিক মামলা। এর মধ্যে বেশির ভাগই হত্যা মামলা। মামলা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও। তাঁর সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা।

মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন বিচারক ও সাংবাদিক থেকে শুরু করে ক্রিকেটারও। অনেকেই দেশত্যাগ করতে যাওয়ার সময় আটক হয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে রয়েছেন অনেকে। এসব মামলা কি আদৌ টিকবে?

ঢাকাভিত্তিক থিংকট্যাংক সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘বেশির ভাগ মামলাই আইনগতভাবে দুর্বল। এগুলো রাজনৈতিক জায়গা থেকে করা হয়েছে। বিচার ব্যবস্থা দেখে ভয় হচ্ছে, হয়তো শেখ হাসিনার সময়কার ভয়াবহ অবস্থাই ফিরে আসবে। হাতবদল হবে কেবল।’

শিক্ষার্থীদের খবর কী?
বলা হয়ে থাকে, নতুন এই ‘বিপ্লবে’ সবচেয়ে বেশি অবদান সাধারণ শিক্ষার্থীদের। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ভাঙচুর হয় বিভিন্ন স্থানে। হামলা হয় নানা স্থাপনায়। পরে শপথ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তবে রাস্তায় ছিল না ট্রাফিক পুলিশ, থানায় ছিল না পুলিশ। ওই সময় শিক্ষার্থীরা পালন করে ট্রাফিকের দায়িত্ব। শহরের বিভিন্ন জায়গায় রোপণ করে গাছ। দেয়ালগুলোতে আঁকে নান্দনিক ছবি ও গ্রাফিতি। 

এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়েও ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা। যদিও এখনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়নি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, এখনো স্বাভাবিক হয়নি বাংলাদেশের পরিস্থিতি। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। যদিও ছাত্ররা দাবি করছে, তারা সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের ‘দোসর’।

অন্তর্বর্তী সরকার আসলেই পরিবর্তন আনতে পারবে কিনা বা আনার চিন্তা করছে কিনা­­–তা নিয়ে এখনো অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে সংশয় রয়েছে। এ নিয়ে স্নেহা আক্তার নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এদের সরিয়ে আমরা আগের ভুলগুলো শুধরাচ্ছি। এক মাসে পুরো দেশে পরিবর্তন আনা আসলে সম্ভব না। আমরা সরকারকে কিছু সময় দিতে চাই।’

এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা চাচ্ছেন এই সরকার সংস্কার করতে যত সময় দরকার, তা নিক। তবুও দেশ সংস্কার হোক। এমনই মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘তিন মাস, তিন বছর কিংবা ছয় বছর–এই সংস্কারে যত সময় লাগে লাগুক।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আন্দোলনকারীরা। ফাইল ছবি: রয়টার্সএবার তাহলে কী হবে? 
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে শুরু করেছে বাংলাদেশে। ঢাকার রাস্তায় এখন আর নিরাপত্তা বাহিনী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিক্ষোভ নেই। পুরোদমে চলছে ইন্টারনেট। 

স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে সাধারণ মানুষ। সহিংসতা এখন আর তেমন নেই বললেই চলে। দোকানপাট, ব্যাংক, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট খুলেছে। এমনকি পুলিশ বাহিনীও স্বাভাবিক কাজে ফিরেছে। 

এমন এক সময়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনার আশা করছেন সবাই। কিন্তু এখনো আইন‑শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। রাস্তায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কম দেখা যাচ্ছে। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা দিলে তেমন কিছুই করতে পারছে না তারা। 

প্রথম দিকে দ্রব্যমূল্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাজারে তদারকিতে নামে শিক্ষার্থীরা। ওই সময় দাম কিছু কমলেও আবারও বাড়তে শুরু করেছে দ্রব্যমূল্য। জিনিসপত্রের দামে নাগাল টানা যাচ্ছে না কোনোমতেই। সিন্ডিকেট হাতবদল হচ্ছে কেবল, আবারও ‘লাভের গুড়’ খাচ্ছে তৃতীয় ব্যক্তি।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, নির্বাচন হবে কবে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বড় ধরনের সংস্কার করার মতো ‘অবস্থা’ বা ‘ক্ষমতা’ নেই অন্তর্বর্তী সরকারের। এখন তাদের কাজ হবে, সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলার দিকে মনোনিবেশ করা এবং নির্বাচনের সময়সূচি ঠিক করা। তবে আওয়ামী লীগের কী হবে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

ছাত্র-জনতার ব্যাপক সমর্থন নিয়ে সরকারপ্রধানের দায়িত্বে এসেছেন নোবেলজয়ী ড. ইউনূস। কিন্তু এই সমর্থন একটা সময় গিয়ে আর থাকবে না বলেই মনে করছেন উইলসন সেন্টারস সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি যদি ঠিক না হয় এবং অর্থনীতির চাকা যদি মন্থরই থাকে, তাহলে তরুণদের মধ্যে উদ্বেগ ও অধৈর্য্য হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী হিসেবে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ কারণে তারা নির্বাচন দেওয়ার জন্য সরকারকে তাগিদ দিয়ে আসছে।

এ ব্যাপারে উইলসন সেন্টারস সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘এখানেও বড় কয়েকটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যখন দেওয়ার দাবি করা হবে, তখন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন না দিলে বিএনপি কী করবে? তারা কি আন্দোলনে নামবে কিংবা বিশৃঙ্খলা শুরু করবে?

এমনটা হলে আইন‑শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিটি সেক্টর থেকে দাবির পর দাবি আসছে। সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনের আলাপও উঠছে। শিক্ষার্থীরা এখনো সবাই ক্লাসরুমে যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর একের পর এক চাপ বাড়ছেই। এমন অবস্থায় কোন পথে হাঁটবে অন্তর্বর্তী সরকার? সংস্কারে হাত দেওয়া নাকি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে সরে যাওয়া? 

ড. ইউনূসের বিভিন্ন মন্তব্য শুনে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা সংস্কারে হাত দিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলছেন না। নির্বাচনে দেরি হলেও রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে কিনা, তাও বড় প্রশ্ন। কয়েক মাসের মধ্যেই হয়তো জানা যাবে এসব প্রশ্নের উত্তর।

যে দাবিতে টালমাটাল হয়ে গিয়েছিল পুরো বাংলাদেশ, যে আন্দোলনের জেরে পতন ঘটেছিল শেখ হাসিনা সরকারের—সেই সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলনের বয়স আজ দুই বছর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে রক্ত আর প্রতিবাদের ওপর...
ইরান যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে, যেখানে আমদানিনির্ভরতার কারণে সংকটের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশের...
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ আন্দোলন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের মার্চে দেশজুড়ে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এই বিক্ষোভ আন্দোলনটির বিস্তার ও প্রভাব নিয়ে নতুন...
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কি বিদায় নিচ্ছেন? তিনি বিদায় নিলে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন?...
জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ দলীয় প্রাক্তস সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের মাগুরা শহরের কেশব মোড় এলাকার বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে। বুধবার রাতে ভারতের...
সবার জন্য অভিন্ন কিউআর বা কুইক রেসপন্স বাধ্যতামূলক করার পর গত মাসে বাংলা কিউআরে মোট ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকার পেমেন্ট হয়েছে বা অর্থ পরিশােধ করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম মাসে অর্থের অঙ্কটা ছিল ২১২ কোটি...
রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করতে শ্রমমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রমিক সংগঠনের আন্তর্জাতিক জোট ইনডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল - আইবিসি'র নেতারা। 
আগামী দুই থেকে তিনদিন বৃষ্টিপাতের পর ভারী বৃষ্টির আর শঙ্কা নেই এ বছর। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অল্প পরিমাণে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এমনটাই বলা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে। এছাড়া...
লোডিং...

এলাকার খবর