দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে চলছে প্রচার। দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন না হলেও, প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতারাই সংখ্যায় বেশি। একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে তাদের। ভোটারদের কাছে এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ছুটছেন তারা। আর বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচন বর্জন করলেও যোগ্য প্রার্থী দাবি করে বেশ কয়েকজন নেতা আছেন ভোটের মাঠে।
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ঘিরে পোস্টার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে প্রার্থীদের প্রচার।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলায় ভোট ২১ মে। রায়পুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভগ্নিপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুনুর রশিদ। এমপি নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়নের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভয়-ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন আরেক প্রার্থী আলতাফ হোসেন হাওলাদার। এদিকে রামগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলে ইমতিয়াজ আরাফাত।

চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ হোসেন হাওলাদার বলছেন, সাধারণ মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এমপি নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়নের সমর্থকেরা তাদের পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করছে।
এদিকে রায়পুর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুনুর রশিদ বলছেন, তাঁর এবং তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে। প্রার্থীরা বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতা। আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ একজনের বিরুদ্ধে আরেক জনের রয়েছে নানান অভিযোগ।
নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতা। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জানিয়ে তাঁরা বলছেন, ভোটাররা চায় বলেই স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে এসেছেন।
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুনুর রশিদ বলেন, সর্বস্তরের জনগণের ওপর আস্থা রেখে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।

পটুয়াখালীর বাউফল-দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলায় অধিকাংশ প্রার্থীই আওয়ামী লীগের নেতা। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব প্রস্তুতির কথা জানালেন নির্বাচন কর্মকর্তা।
পটুয়াখালীর নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটারদেরও স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৫৭টি উপজেলায়।



