পবিত্র ঈদুল ফিতর পালনে সারা দেশের ঈদগাহ মাঠ ও মসজিদে নেওয়া হয়েছে জামাতের প্রস্তুতি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন ঈদগাহে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা। ঈদের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।
চট্টগ্রামে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে নগরীর দামপাড়া জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহে সকাল ৮টায়। এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে করেছে সিটি কর্পোরেশন। ঈদগাহে ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সমস্ত মুসল্লিরা যাতে সঠিক সময়ে এখানে উপস্থিত হয়। পুলিশ বাহিনী যেন সরেজমিনে আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় কাজ করতে পারে, তাদের জন্য আমরা এখানে ব্যবস্থা করেছি। ’
রাজশাহী নগরীতে ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ্ মখদুম রহমতুল্লাহ আলাইহি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামাতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধান জামায়াত হবে সকাল ৮টায়। ঈদের দিন বিরূপ আবহাওয়ার শঙ্কায় বিকল্প প্রস্তুতিও রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে, পরিবেশ যদি ভালো থাকে ইনশাল্লাহ আমরা রাজশাহীবাসী এখানে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারব।’
সিলেটের শাহী ঈদগাহ ময়দানে হবে প্রধান ঈদ জামাত। খুলনায় ঈদের জামাত সকাল ৮টায় সার্কিট হাউজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশেনর (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘যদি দুর্যোগ হয় সেক্ষেত্রে জামাত এখান থেকে আমরা টাউন জামে মসজিদে নিয়ে যাব। সেখানেও সকাল ৮টায়, ৯টায় এবং সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।’
বরিশাল নগরীতে মোট ৪২৮টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়োজিত আছেন পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা।
বরিশাল মেট্রোপলিটান পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান জামাত হবে এইটা। এটা যেহেতু বরিশালের প্রধান ঈদগাহ। এখানে বেশি মুসল্লি সমাগম হয়। এজন্য আমরা নিরাপত্তার ব্যবস্থা এখানে বেশি রাখি। এছাড়া শৃঙ্খলার জন্য ট্রাফিক পুলিশও থাকবে।’
ময়মনসিংহ মহানগরীতে প্রধান জামাত হবে চারটি। এছাড়া ৩৩টি ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রংপুর সিটিতে ৮০টি ঈদ জামাত হবে।



