বিভিন্ন জেলায় তীব্র গরমের পাশাপাশি অসহনীয় হয়ে উঠেছে অব্যাহত লোডশেডিং। দিনরাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকছে না বিদ্যুৎ।
শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে দিনের বেশিরভাগ সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা।
এছাড়া বোরো মৌসুমে কৃষিজমিতেও সেচ ব্যাহত হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে স্কুলে পাঠদান কার্যক্রম। হাঁসফাস অবস্থা শিক্ষার্থীদের।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। সন্ধ্যার পর জেনারেটর চালিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হলেও, জালানি তেলের সংকটে তাও আর সম্ভব হচ্ছেনা।
পল্লী বিদ্যুৎ কর্তপক্ষ জানিয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় ঘাটতি মোকাবিলায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।



