তীব্র গরম আর বিদ্যুত উৎপাদনে ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল এবং মফস্বল জেলাগুলোতে দিনে-রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।
গত এক সপ্তাহ ধরেই বরিশালে চলছে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট। প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে তীব্র ভোগান্তি হচ্ছে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক থেকে শুরু করে সব স্তরের সাধারণ মানুষের।
স্থানীয়দের আভিযোগ, অসহ্য গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিং-এ দুর্বিষহ হয়েছে জনজীবন। জেনারেটর দিয়েই চলছে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
বরিশাল ওজোপাডিকো বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি বেড়েছে। উৎপাদন বাড়লেই লোডশেডিং কমে আসবে।’
এদিকে বাগেরহাটেও গত কয়েক দিন ধরেই দীর্ঘ লোডশেডিং নিয়ে ভোগান্তিতে গ্রাহকরা। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গিয়েছে স্থানীয়দের। ঘনঘন লোডশেডিং-এ বিশ্বকাপের খেলা ঠিকমত দেখতে না পারায় ক্ষুব্ধ খেলাপ্রেমীরা।
আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। এভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলে শিশুদের পড়াশোনায় এর প্রভাব পরবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।



