দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমানের কর্মী বরগুনা জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান তুরানকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
শতাধিক মোটর সাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মঙ্গলবার আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আবু জাহের তাকে এ অর্থদণ্ড করেছেন।
জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী -বরগুনা সদর) আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমানের সমর্থনে বরগুনা জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক মো. হালিম মোল্লা ও জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান তুরাণের নেতৃত্বে মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে শতাধিক মোটর সাইকেল নিয়ে আমতলী পৌর শহরের বিভিন্ন সড়কে শোডাউন দেন। এতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ওই শোডাউন বন্ধ করে দেন। এ সময় পুলিশ বরগুনা জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান তুরাণকে আটক ও ১৫টি মোটরসাইকেল জব্দ করেন।
পরে পুলিশ ছাত্রলীগ নেতা তুরাণ ও মোটরসাইকেলগুলো আমতলী উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করেছেন। ভ্রাম্যামান আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আবু জাহের ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ হাসান তুরাণকে নিার্বচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, 'খবর পেয়ে পৌর শহরের আল হেলাল মোড় থেকে শোডাউন চলাকালীন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমানের সমর্থনে করা শোডাউন বন্ধ করে দেই। ওই সময়ে ১৫টি মোটরসাইকেলসহ তার এক কর্মীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আবু জাহের বলেন, 'সংসদ নির্বাচন ও রাজনৈতিক দল প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার ২০০৮এর ১৮(১) ধারা মোতাবেক ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমানের কর্মী মাহমুদ হাসান তুরাণকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে'।



