প্রান্তিক কৃষক অধ্যুষিত গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল–১ সংসদীয় আসন। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হচ্ছে, অথচ ভোটের ডামাডোল এখানে নেই বললেই চলে। স্থানীয়রা মনে করছেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণেই এই নীরবতা। তবে প্রার্থীরা বরাবরের মতোই জয়ে আশাবাদী। আর সাধারণ ভোটাররা চান শঙ্কামুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ।
সড়কপথে বরিশাল বিভাগের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বরিশাল–১ আসন। এখানে এবার মোট প্রার্থী পাঁচজন হলেও নির্বাচনী লড়াই ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। তবে প্রত্যেক প্রার্থীই বলছেন, জয় তাঁদেরই হবে।
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেন, ‘২২ জানুয়ারি যখন প্রথম নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়, সেদিন আমি বাজারে লিফলেট বিতরণ করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে বাধা দেওয়া হয়েছে।’
আসনটির বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের সব জায়গায় বিএনপির সব বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজন ছাড়া তাঁদের পেছনে আর কেউ নেই বলেই আমরা সারা দেশ থেকে খবর পেয়েছি।’
জামায়াত প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম খান বলেন, ‘১৩টি ইউনিয়ন, পৌরসভাসহ একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় আমি সফর করেছি। আমি এটা বলতে পারি, এখন পর্যন্ত যা আছে, তাতে কোনো সমস্যা নেই।’
একসময় সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় ভোটকালীন সহিংসতা ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন ভোটাররা। তাঁরা চান, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ভোটের মাঠ হোক শান্তিপূর্ণ।
বরিশাল–১ আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার ১৯৯। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৩৬ জন। দুটি উপজেলা, একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২৯টি।



