২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি ও শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের কমপ্লিট শাটডাউন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষাসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার শাটডাউনের দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন বিভাগের ক্লাসরুমগুলো খালি দেখা গেছে। কোনো কোনো ক্লাসরুমে ঝুলছে তালা। পরীক্ষা ও ক্লাস না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে। এতে ক্যাম্পাসে দেখা দিয়েছে সুনসান নিরবতা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, শিক্ষকদের টানা আন্দোলনের কারণে তারা সেশন জটের ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, পূর্বের বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে তারা কোনো পদোন্নতি পাচ্ছেন না। দ্রুত সমস্যার সমাধান হলে তারা ক্লাসে ফিরে যাবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলছেন, ২০২১ সালের নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতি হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও সমস্যা সমাধানে ইউজিসির ও কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে শিক্ষকদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫টি বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। কিন্তু এখানে শিক্ষক থাকার কথা ৪০০ এর বেশি আছে মাত্র ২১০ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ বিভাগ ২-৩ জন দিয়ে চলছে। এক একজন শিক্ষকের উপর ১৪-১৫টি কোর্সের লোড পড়ছে।



