বরগুনার জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার ৭ দিন পরে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে মামলাটি করেন নিহত ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলিম।
ওসি জানান, গত ৩ জুন বিকেলে বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর তৃতীয় তলার দুটি আলাদা কক্ষ থেকে সেখানকার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইতি রানী ও তাঁর দুই মেয়ের আরাধা বিশ্বাস ও অনুরাধা বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সাত দিন পরে ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ডাকবাংলোতে যাতায়াতকারীরা অথবা তার সহকর্মীদের মধ্যে কেউ অজ্ঞাত কারণে তার দুই কন্যা ও স্ত্রীকে হত্যা করে কক্ষের দরজা আটকে রেখে জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
যদিও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ছিল, সন্তানদের হত্যার পর ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


বরগুনায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলা থেকে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
