বেপরোয়া গতি ও অবৈধ বাহনের দৌরাত্মে বরিশাল বিভাগের সড়ক-মহাসড়কে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা। গত বছরের তুলনায় এ বছর দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৯ ভাগ। মামলা-জরিমানা সত্ত্বেও কমছে না দুর্ঘটনায় আহত-নিহতের সংখ্যা। বিআরটিএ বলছে, সড়কে শৃংখলা ফেরাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করার পাশাপাশি নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।
বরিশাল বিভাগের সড়ক-মহাসড়কে ঘটে যাচ্ছে একের পর দুর্ঘটনা। এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ১৫৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১১৭ জনের। আহত হয়েছেন ২৮৮ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৯ ভাগ।
স্থানীয়রা বলছেন, যানবাহনের বেপরোয়া গতি ও অবৈধ বাহনের দৌরাত্মই সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
বিএমপির এডিসি ট্রাফিক আনিসুর রহমান বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে স্পিড ক্যাম ও সিসিটিভির সাহায্যে জোরদার হচ্ছে তদারকি। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সরু সড়ক ও মহাসড়ক মেরামতে গাফিলতি দায়ী।’
বিআরটিএ পরিচালক মনে করেন, যানবাহনে জিপিএস সিস্টেম চালু ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ির চলাচল বন্ধ করা গেলে দুর্ঘটনা কমবে।
বিআরটিএর পরিচালক জিয়াউর রহমান বলেন, ‘প্রতি বাস মিনিবাসে জিপিএস সিস্টেম থাকতে হবে। এটি চালু হলে সার্বিক মনিটরিং সম্ভব হবে। এছাড়া ২০ বছরের পুরাতন বাস ও ২৫ বছরের পুরাতন ট্রাক চলতে দেয়া হবে না। এতে রাস্তায় শৃংখলা ফিরে আসবে এবং দুর্ঘটনা কমবে।’
দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষক মো. রুবাইয়াত বিন আলী বলেন, ‘দুর্ঘটনা রোধে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্র্যাফিক আইনের সঠিক প্রয়োগ জরুরি।’
আইন না মানায় গত ১ বছরে বরিশাল বিভাগে মামলা হয়েছে ১০ হাজার ৫৩৯টি। এসব মামলায় আদায় হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।


