যশোরের ভবদহ অঞ্চলের অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষের ভোগান্তি কমার কোনো আশাই যেন নেই। বর্ষা শেষ হলেও এখনও পানিবন্দী তারা। প্রায় তিন মাস পানিবন্দী থাকায় দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ। বেড়েছে স্থানীয়দের রোগব্যাধির প্রকোপও। ভুক্তভোগীরা বলছেন, টিআরএম প্রকল্প চালু না হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।
টেকা নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় ১৯৮২ সালে ভবদহ স্লুইসগেটে জোয়ারের পানি বাধাগ্রস্ত হয়। সেবছর নেহালপুর ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। এরপর চার দশকে প্রায় ২৪টি প্রকল্প নেয়া হলেও ভবদহ সমস্যার সমাধান হয়নি।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, এবছরও জুলাই-আগস্ট থেকে নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমতে শুরু করে। অতিবৃষ্টির কারণে ধীরে ধীরে পানিতে তলিয়ে যায় অর্ধশতাধিক গ্রাম। প্রায় তিন মাস পানিবন্দী থাকায় রোগব্যাধিতে ভুগছে লক্ষাধিক মানুষ।
ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘টিআরএম প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হলে ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।’
যশোর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, ‘ভারী বৃষ্টি না হলে দ্রুত অবস্থার উন্নতি হবে।’
ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৫টি নদীতে ৮১ কিলোমিটার খননকাজ চলছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের ৬২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।


