বান্দরবানের থানচিতে দুটি ব্যাংকে ডাকাতির আগে ও পড়ে ডাকাতদলের সদস্যরা ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছিল। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, তিনটি চান্দের গাড়িতে করে ২৫ থেকে ৩০ জনের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বাজারে এসে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে আতঙ্ক তৈরি করে। এরমধ্যেই তারা কৃষি ও সোনালী ব্যাংকে প্রবেশ করে ব্যাংক কর্মীদের জিম্মি করে। এসময় ব্যাংকে জমা ও উত্তোলনকারী গ্রাহকদের টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে বিজিবি আসার খবরে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায় তারা।
ব্যাংক দুটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কৃষি ব্যাংক থেকে আড়াই লাখ টাকা এবং সোনালী ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ লুট হয়েছে। বেশিরভাগ টাকাই গ্রাহকদের।
এরআগে, মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজের পর বান্দরবানের রুমা শাখা সোনালী ব্যাংক ডাকাতি করে আরেকটি সশস্ত্র দল। এ সময় ব্যাংকটির নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা।
ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের বান্দরবান প্রতিনিধি মং খিং মারমা ঘটনাস্থল থেকে জানান, জেলায় পরপর তিনটি ব্যাংকে ডাকাতি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। ডাকাতরা গাড়িতে করে এসে প্রথমে থানচির কৃষি ব্যাংকে আক্রমণ করে পরে তারা যায় সোনালী ব্যাংকে। ডাকাতরা প্রথম দিকে ফাঁকাগুলি ছোড়ে এবং পড়ে ব্যাংক কর্মকর্তাদের আটকে রেখে আড়াই লাখ টাকা লুট করে।
মং খিং বলেন, ‘কৃষি ব্যাংক থেকে বের হয়ে তারা আবার ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং সোনালী ব্যাংকে প্রবেশ করে। সেখান থেকে তারা ১৫ লাখ টাকা লুট করে। এগুলো সবই গ্রাহকের টাকা। টাকাগুলো ব্যাংকের ক্যাশ থেকে নেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাংকের ভল্টে তারা যেতে পারেনি। ব্যাংকদুটির কর্মকর্তা–কর্মচারীরা বলছেন, এ ঘটনায় তারা ভীত ও সন্ত্রস্ত। পুলিশ বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে।’
দুটি ব্যাংকের ম্যানেজারই জানিয়েছেন, ডাকাতির সময় কাউকেই আঘাত করা হয়নি। সকলকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল।


রুমার পর এবার থানচিতে ২ ব্যাংকে ডাকাতি
যেভাবে লুট হল রুমার সোনালী ব্যাংক
